Twitter

Follow palashbiswaskl on Twitter

Saturday, November 14, 2015

Gonojagoron Moncho projonmochottar@gmail.com wrote on a new alliance in Bangladesh between Chief Justice SK Sinha and Khaleda Zia: রপ্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার সঙ্গে খালেদার ঘনিষ্ঠ আত্মীয়ার বৈঠক ক্ষমতায় এলে সিনহাকে রাষ্ট্রপতি করার আশ্বাস খালেদার


Gonojagoron Moncho projonmochottar@gmail.com
wrote on a new alliance in Bangladesh between Chief Justice SK Sinha and Khaleda Zia:
  • রপ্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার সঙ্গে খালেদার ঘনিষ্ঠ আত্মীয়ার বৈঠক
  • ক্ষমতায় এলে সিনহাকে রাষ্ট্রপতি করার আশ্বাস খালেদার

বাংলাদেশের বর্তমান রাজনীতির গতিপ্রকৃতি দেখে মনে হচ্ছে, ১৯৭৫-এ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার প্রাক্কালে ষড়যন্ত্রের যে নীল নক্সা পাকিস্তানে বসে আঁকা হয়েছিল, ঠিক তার চার দশক পরে পাকিস্তানের গোয়েন্দাবাহিনী আইএসআই আবার একই ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। এবারে ষড়যন্ত্রের ছক শুধু রাওয়ালপি-ির জিএইচকিউ-তে বসে কথা হচ্ছে না, তার জাল ছড়িয়ে পড়েছে সুদূর লন্ডনে, যেখানে বাংলাদেশ সামরিক বাহিনী থেকে বরখাস্ত হওয়া মেজর, কর্নেলরা শেখ হাসিনা বিরোধী ষড়যন্ত্রে শামিল হয়েছে। নির্ভরযোগ্য সূত্র মতে, এই ষড়যন্ত্রে বেশ কয়েকটি পশ্চিমি দেশও জড়িয়ে গেছে যে কারণে শেখ হাসিনা সম্প্রতি এক সাংবাদিক সম্মেলনে তার উল্লেখও করেছেন যা তিনি আগে কখনও করেননি। শেখ হাসিনা বিরোধী ষড়যন্ত্রের পরিকল্পনা যখন রাওয়ালপি-ি ও লন্ডনে বসে রচনা করা হচ্ছে তখনই ভারতের প্রধানমন্ত্রী লন্ডন সফরে গেছেন এবং তাঁর সঙ্গে লন্ডনে বসবাসরত বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া ও তাঁর পুত্র তারেক রহমান মরিয়া হয়ে একান্তে সাক্ষাতের চেষ্টা চালাচ্ছেন। 
লন্ডনে এই ষড়যন্ত্রের নেতৃত্ব দিচ্ছেন সেখানে বসবাসরত বাংলাদেশ মিলিটারি থেকে অবসরপ্রাপ্ত মেজর আবু বকর সিদ্দিকি এবং শেখ হাসিনার আমলে বাধ্যতামূলক অবসর পাওয়া মেজর সাইফ সামরিক বাহিনীর কিছু অফিসারকে নিয়ে বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে শেখ মণির পুত্র ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপসকে হত্যার চেষ্টা করেন। ১৫ আগস্ট ১৯৭৫-এ বরখাস্ত হওয়া সামরিক বাহিনীর কিছু অফিসার ও জওয়ান বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করার পাশাপাশি শেখ মণি ও তাঁর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে খুন করে বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে তাঁদের দেহ বিকৃত করে। বহিষ্কৃত বাংলাদেশ সামরিক বাহিনীর অফিসাররা লন্ডনে কুইন্সওয়ে স্কোয়ারে অবস্থিত পাকিস্তান দূতাবাসে নিয়মিত যাতায়াত করেন। তাঁরা সেখানে আইএসআই 'অপারেটিভদের' সঙ্গে যোগাযোগ রাখার জন্য গিয়ে থাকেন। আইএসআই এই বহিষ্কৃত অফিসারদের মাধ্যমে বাংলাদেশের জঙ্গিদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছে। নির্ভরযোগ্য সূত্রে খবর, তাঁদের মাধ্যমে প্রচুর বিদেশী অর্থ বাংলাদেশে পাচার হচ্ছে যা শেষ পর্যন্ত জঙ্গিদের হাতে গিয়ে পড়ছে। এই বহিষ্কৃত অফিসারদের সঙ্গে চাকরিজীবনে আইএসআইয়ের যোগাযোগ ও সখ্য নিবিড় হয়। তাদের হাত ধরেই বেশ কিছু পাকিস্তানী জঙ্গি ট্রেনার লন্ডন থেকে নানান পথ ধরে বাংলাদেশে ঢুকেছে। পাকিস্তানী জঙ্গি ট্রেনাররা যে বাংলাদেশে এসে ঢুকেছে তার প্রমাণ চলতি সপ্তাহে পাওয়া যায়। গত রবিবার ও মঙ্গলবার ছয় জন পাকিস্তানী জঙ্গি ট্রেনারকে বাংলাদেশ পুলিশ গ্রেফতার করে এবং ওই জঙ্গিদের জন্য এক বিশাল অঙ্কের টাকা লন্ডন থেকে হুন্ডি করে বাংলাদেশে পাঠানো হয়। ওই সূত্রের খবর, বাংলাদেশ থেকেও বিশাল অঙ্কের টাকা লন্ডনে পাচার হয়েছে খালেদা ও তার পুত্র তারেক রহমানের জন্য। সূূত্রমতে ওই হন্ডির একাংশ লন্ডনে বসবাসরত তারেক রহমানের পরিচিত গুজরাতি ব্যবসায়ীদের দেয়া হয়েছে যাঁরা কথা দিয়েছেন তাঁরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির লন্ডন সফরের সময় খালেদা জিয়া ও তাঁর পুত্রকে গোপনে সাক্ষাতের ব্যবস্থা করে দেবেন। এই ব্যবসায়ীরা নিজেদের ভারতীয় লবিস্ট বলে পরিচয় দেন। কিন্তু ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর লন্ডন সফরসূচীতে খালেদা বা তারেকের সঙ্গে কোন সাক্ষাতের উল্লেখ নেই।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত জুন মাসে ঢাকা সফরের সময় প্রধানমন্ত্রী মোদি খালেদাকে কিছু প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করে খুবই বিব্রতকর অবস্থায় ফেলে দেন। প্রথম প্রশ্ন ছিল, তিনি কেন ভারতীয় রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের সময় চেয়েও তাঁর সঙ্গে দখা করেননি? বর্ধমানে খাগড়াগড় বিস্ফোরণ কা- নিয়েও তিনি বেশ কিছু অস্বস্তিকর প্রশ্ন করেন যার কোনও সদুত্তর খালেদা দিতে পারেননি। এহেন প্রধানমন্ত্রী খালেদা ও তাঁর পুত্রের সঙ্গে গোপনে সাক্ষাত করবেন তা এককথায় অসম্ভব। কারণ তিনি জানেন খালেদা ও তাঁর পুত্রের উদ্দেশ্য মহৎ নয়। তাঁরা বলবেন বাংলাদেশে গণতন্ত্র বিপন্ন, হাসিনাকে সরিয়ে দিয়ে বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনর্প্রতিষ্ঠা করুক ভারত। আমার মনে হয় না প্রধানমন্ত্রী নবেন্দ্র মোদি খালেদা-তারেকের এই ফাঁদে পা দেবেন। তাছাড়াও খালেদার দুর্নীতিগ্রস্ত পুত্র তারেকের ভাবমূর্তির সম্বন্ধে তিনি ভালভাবেই ওয়াকিবহাল। বাংলাদেশে তারেকের বিরুদ্ধে দুটি গ্রেফতারি পরোয়ানাও রয়েছে।
অন্যদিকে লন্ডনে অবস্থানরত ফেরার আসামি বিএনপি নেতা মাহতাবের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্রকুমার সিনহার সঙ্গে খালেদার বিশেষ ঘনিষ্ঠ এক আত্মীয়ার এক বৈঠক বাংলাদেশের রাজনীতিকে এক নতুন মোড়ে এনে দাঁড় করিয়েছে। সূত্রমতে, ওই আত্মীয়া খালেদার তরফ থেকে বিচারপতি সিনহাকে আশ্বস্ত ও নিশ্চয়তা দেন এই বলে যে, খালেদা ক্ষমতায় এলে তিনি বিচারপতি সিনাহকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ করবেন। বিএনপি নীতিনির্ধারকরা মনে করেন, একজন উপজাতি হিন্দুকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ করলে বিশেষ করে ভারতের শাসকদল বিজেপি খুবই খুশি হবে। বিচারপতি সিনহা মুক্তিযুদ্ধের সময় জামাত নেতা গোলাম আযমের সৃষ্ট শান্তি কমিটির সদস্য ছিলেন এবং বাংলাদেশের পত্রপত্রিকায় এই খবর প্রকাশিতও হয়েছে। এ ছাড়া সম্প্রতি বাংলাদেশে বহুল আলোচিত একটি মামলায় সুরেন্দ্রকুমার সিনহা আদালতে স্বীকার করেন যে, তিনি বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর পরিবারের কথামতো তাঁর বিচারের বেঞ্চ গঠন করেছিলেন। উল্লেখ্য, সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রচুর মুক্তিযোদ্ধাকে নিজের হাতে হত্যা করেন। যে কারণে মানবতাবিরোধী অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাকে মৃত্যুদ-ে দ-িত করেছে। সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী বাংলাদেশে আইএসআইয়ের মূল স্তম্ভ হিসেবে পরিচিত।

__._,_.___
Pl see my blogs;


Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!
Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...

Welcome

Website counter

Followers

Blog Archive