Twitter

Follow palashbiswaskl on Twitter

Saturday, August 1, 2015

Forged currency influx across the borders!বিশাল অঙ্কের জালনোট বাজারে ।আইনের নানা ফাঁক-ফোকর দিয়ে তারা পার পেয়ে যাচ্ছে।

বিশাল অঙ্কের জালনোট বাজারে ।আইনের নানা ফাঁক-ফোকর দিয়ে তারা পার পেয়ে যাচ্ছে।
শাইখুল হাদিস আল্লামা আব্দুল কুদ্দুছ <sipahsalar.jamana@gmail.com>

ঈদের কেনাকাটা । প্রতারকরা নিচ্ছে অভিনব নানা কৌশল।  বেশ কজন জালনোট কারবারি চক্রের সদস্য জলনোটসহ পুলিশের হাতে ধরা পড়েছে।  ঈদের বাজারকে টার্গেট করেই তারা মাঠে নেমেছে। আটককৃতদের কাছ থেকে তাদের যে বিশাল অঙ্কের জালনোট বাজারে ছাড়ার প্রচেষ্টার কথা জানা গেছে, তা খুবই উদ্বেগের। গত ১৩ জুন ২০১৫ ঈসায়ী, ইয়াওমুস সাব্ত বা শনিবার দিবাগত রাতে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানাধীন পশ্চিম কাফরুলের তালতলা এলাকা থেকে জাল টাকা তৈরি চক্রের ৬ সদস্যকে প্রেপ্তার করে পুলিশ। পুলিশের হাতে ধরা পড়ার পর তারা জানিয়েছে, পবিত্র ঈদ উপলক্ষে বাজারে ৬০ কোটি টাকার জালনোট ছাড়ার পরিকল্পনা করেছিল। এর আগে গত ৮ জুন ২০১৫ ঈসায়ী, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম শরীফ বা সোমবার দিবাগত রাতে রাজধানী মিরপুরের মধ্য-মনিপুর আদর্শ রোডের একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে ৫০ লাখ টাকা মূল্যের জালনোটসহ এগুলো তৈরির চক্রের ৬ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে ছাপা ও অর্ধছাপা বাংলাদেশী ১০০০/৫০০ টাকা মূল্যমানের জালনোট, টাকা তৈরির কাগজ, ১২টি ফ্রেম, রঙ, নিরাপত্তা সুতা, ৩টি ল্যাপটপ, ১টি ডেক্সটপ, ৩টি প্রিন্টার, ১০০০/৫০০ টাকা লেখা পানিছাপ দেয়া কাগজ ১২ বান্ডিল, ২টি কার্টার ও অন্যান্য সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়। আটককৃতদের কাছ থেকে জানা যায় যে, অনেক পক্ষ জড়িত এই জাল টাকা তৈরি ও বিপণনের কাজে। একেক পক্ষ একেক ধরনের কাজে পারদর্শী। পুলিশের দাবি, জাল টাকা তৈরির কাজ করছে এমন ১৫টি সিন্ডিকেটকে এ পর্যন্ত চিহ্নিত করা হয়েছে।

নতুন টাকার মতোই দেখতে নোটগুলোকে জালনোট বলে শনাক্ত করা খুবই কঠিন। আমাদের দোকানপাটগুলোতে নকল টাকা শনাক্ত করার মেশিনের ব্যবহার খুবই কম। সাধারণ ব্যবসায়ীদের কাছে তো নেইই। আর ঈদের বাজারে তো বেশি ক্রেতার ভিড়বাট্টা ও তাড়া থাকে। ভালোমতো দেখে নেয়ার সুযোগ থাকে না। জালনোটের কারবারিরা তাই এ সময়টাকেই সুযোগ হিসেবে বেছে নেয়। ঈদের বাজারে পণ্য বিক্রির ব্যস্ততার সুযোগে জালনোট ব্যবসায়ীরা জাল টাকায় মূল্য পরিশোধ করে কেটে পড়ে। অনেক ক্রেতার হাতেও এই জালনোট চলে যায়। এতে স্বল্প আয়ের মানুষ ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা বেশি বিপাকে পড়ে। 

যে পরিমাণ জালনোট উদ্ধার হয়েছে এবং যে পরিকল্পনার কথা জানা গেছে, তাতে ধারণা করা যায় ইতোমধ্যেই কয়েক কোটি টাকার সমমানের জালনোট বাজারে ছাড়ার জন্য বিভিন্ন হাতে ছড়ানো রয়েছে। গোয়েন্দা পুলিশ তৎপর রয়েছে, জালনোটের প্রতারক চক্র ধর পড়ছে, এটা স্বস্তির বিষয়। এর আগেও জালনোট তৈরি ও বিপণন চক্র পুলিশি অভিযানে কিছু ধরা পড়েছে। অভিযোগ রয়েছে, র‌্যাব-পুলিশের অভিযানে জালনোট ব্যবসায়ী সদস্যরা গ্রেপ্তার হলেও, মূল হোতারা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে। আর যারা আটক হচ্ছে তারাও সহজেই জামিন পেয়ে আবারো একই কাজে নিয়োজিত হচ্ছে। আবার জালনোট কারবারীদের সঙ্গে কিছু ব্যাংক কর্মকর্তার জড়িত থাকার খবর বিভিন্ন সময় পাওয়া গেলেও এ পর্যন্ত এদের কারো কোনো দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হয়েছে বলে জানা যায়নি। আইনের নানা ফাঁক-ফোকর দিয়ে তারা পার পেয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
উল্লেখ্য, ১৯৯৮ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশব্যাপী জালনোট সরবরাহ ও বাজারজাতকরণে জড়িতদের বিরুদ্ধে এ পর্যন্ত বিভিন্ন থানায় ৫ হাজারেরও বেশি মামলা করা হয়েছে। কিন্তু তারপরেও জাল টাকার দুষ্ট ব্যবসায়ীরা সহজেই জামিন পেয়ে পুনরায় একই ব্যবসায় নিয়োজিত হচ্ছে।

প্রকাশিত খবরে জানা যায়, এ দুষ্টচক্ররা অত্যন্ত ভদ্রবেশী, স্মার্ট সেজে অভিজাত বিপণিগুলোতে গিয়ে ক্ষুদ্র কিন্তু দামি জিনিসের পরিবর্তে জাল টাকা দিয়ে দ্রুত চম্পট দেয়। এছাড়া গ্রামের অশিক্ষিত, নিরীহ মানুষকে তারা টার্গেট করে বেশি। এক্ষেত্রে তাদেরকে আসল টাকার বৈশিষ্ট্য ও চেনার উপায় সম্পর্কে ব্যাপক গণকর্মসূচি নেয়া যেতে পারে এবং পারস্পরিক লেনদেনে তা নির্ণয়ের অভ্যাসও জোরদারভাবে করা যেতে পারে। এভাবে সচেতনতার পাশাপাশি তা প্রয়োগের প্রেক্ষিতে জাল টাকার দুষ্ট চক্ররা কিছুটা হলেও নিষ্ক্রিয় হবে।

কিন্তু এ বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ প্রতিকার পেতে হলে দরকার পবিত্র ঈমান ও পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনাদের মূল্যবোধের প্রতিফলন। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, "জাহান্নামে যদি কোনো ব্যবসা চলতো, তাহলে খোটা বা নষ্ট টাকার ব্যবসাই চলতো।" 

ছেঁড়াফাড়া নোটের মূল্যমানের পরিবর্তে কম মূল্যমানের নতুন নোট দেয়াই পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার পরিভাষায় খোটা বা নষ্ট টাকার ব্যবসা বলে উল্লিখিত এবং তা জাহান্নামীদের ব্যবসা বলে বর্ণিত। 

যদি তাই হয়, তাহলে জাল টাকা দিয়ে মানুষকে প্রতারিত করা ও ক্ষতিগ্রস্ত করা পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার দৃষ্টিতে আরো কত বেশি খারাপ এবং জাহান্নামী আমল বিবেচিত হতে পারে- তবে খোটা বা নষ্ট টাকার ব্যবসায়ীরা খোটা বা নষ্ট টাকার পরিবর্তে কম মূল্য

মানের ভালো টাকা পরিবর্তনের পরিবর্তে নষ্ট টাকার সমপরিমাণ ভালো টাকা দিয়ে তার পারিশ্রমিক হিসেবে একটা কমিশন নিতে পারে। 
উল্লেখ্য, বাঞ্ছিত পবিত্র দ্বীন ইসলাম ও পবিত্র ইলম উনাদের অভাবে অনেকেই হারামের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে পড়ে এবং নেক ছোহবত উনার অভাবেই তারা কাঙ্খিত পবিত্র দ্বীন ইসলাম ও পবিত্র ইলম উনাদের থেকে বঞ্চিত থাকে।

--
Pl see my blogs;


Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

Money and Corruption envelop the Geopolitics!মুনাফা অর্জনের জন্য লালায়িত মানসিকতা, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর শিথিলতা খাদ্যে ভেজাল মেশানো একটা স্বাভাবিক রীতিতে পরিণত হয়েছে

 মুনাফা অর্জনের জন্য লালায়িত মানসিকতা, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর শিথিলতা খাদ্যে ভেজাল মেশানো একটা স্বাভাবিক রীতিতে পরিণত হয়েছে

Allama Samsul Haq Foridfuri 


যখন তখন যে কোনো কারখানায় ভেজালবিরোধী অভিযান চালানো হবে। ছোট-বড় মাঝারি কোনো কারখানা বাদ যাবে না। এমনকি রাস্তার পাশের সরবত বিক্রেতার বিরুদ্ধেও অভিযান চালানো হবে বলে গত ১৮ জুন-২০১৫ ঈসায়ী, ইয়াওমুল খামীস (বৃহস্পতিবার) সাবধান করেছে শিল্পমন্ত্রী।
শিল্পমন্ত্রী বলেন, অসৎ ব্যবসায়ী-বিক্রেতাদের ভেজাল, নিম্নমানের খাদ্যপণ্য ও পানীয় প্রস্তুত এবং বিপণন হতে বিরত রাখার জন্য বিএসটিআই ও ঢাকা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ঢাকা মহানগরীতে প্রতিদিন ৪টি করে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে। সিডিউল অনুযায়ী পুরো পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস জুড়ে মোবাইল কোর্ট চলবে।
কিন্তু বাস্তবে মোবাইল কোর্টের তৎপরতা সত্ত্বেও ভেজালকারীদের লাগাম টানা সম্ভব হচ্ছে না।  উপকরণের মধ্যে রয়েছে ছোলা, পিয়াজু, বেগুনি, মুড়ি ও জিলাপি। এ উপকরণগুলোর প্রতিটিই ভেজালের শিকার।  মুড়ি আকারে বড় ও সাদা করতে ব্যবহার করা হচ্ছে বিষাক্ত রাসায়নিক সোডিয়াম হাইড্রো সালফাইড। বাজারে বিষমুক্ত মুড়ি পাওয়া এখন সত্যিকার অর্থেই দায়।  আম, আপেল, কলা ইত্যাদি ফল রাসায়নিক দিয়ে এসব ফল সংরক্ষণ ও পাকানোর বিষয়টি ওপেন সিক্রেট। প্রশাসনের কড়া নজরদারিতে রাসায়নিকের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হলেও অন্যান্য ক্ষেত্রে অবস্থা তথৈবচ। 
 মিষ্টান্ন তৈরিতে ব্যবহৃত হচ্ছে সোডিয়াম সাইফ্লাসেট নামের ভেজাল চিনি। মিষ্টি ও ইফতারি পণ্য রঙিন করতে ঢালাওভাবে ব্যবহার করা হয় টেক্সটাইল রং। জিলাপি মচমচে রাখার জন্য তেলের সঙ্গে মেশানো হয় মবিল। অসৎ ব্যবসায়ীদের কোনো নীতিবোধ থাকার কথা নয়। ধর্মীয় মূল্যবোধ তাদের কোনোভাবেই উদ্বুদ্ধ করে না। 

 ফরমালিনের বিরুদ্ধে সরকার রীতিমতো যুদ্ধও ঘোষণা করেছে। কিন্তু খাদ্যদ্রব্যে অন্যান্য রাসায়নিক ব্যবহারের বিরুদ্ধে কার্যত কোনো পদক্ষেপ নেই।
প্রসঙ্গত আমাদের সংবিধানে অনুচ্ছেদ নং ১৫ এবং ১৮-এ বলা আছে সরকার জনগণের খাদ্য নিশ্চিত করবে এবং পুষ্টিকর খাদ্য উৎপাদন বা সরবরাহ-ই হবে সরকারের অন্যতম কাজ। কিন্তু সরকার আজ সেখানে ব্যর্থ। অবাধ প্রতিযোগিতা, মুনাফা অর্জনের জন্য লালায়িত মানসিকতা, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর শিথিলতা ইত্যাদি কারণে বর্তমানে খাদ্যে ভেজাল মেশানো একটা স্বাভাবিক রীতিতে পরিণত হয়েছে।


১৮৬০ সাল থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত ২০টির অধিক ভেজালবিরোধী আইন হয়েছে। তন্মধ্যে জাতীয় খাদ্য নীতি ২০১০-এ নিরাপদ খাদ্য আইনগুলো আধুনিক করতে এবং ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন একত্র করতে বলা হয়েছে। জাতীয় খাদ্য ও পুষ্টিনীতি ১৯৯৭-এ খাদ্য মান মনিটরিং করতে বলা হয়েছে। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য নীতি-২০০৫ এ বিষাক্ত অথবা ক্ষতিকারক রাসায়নিক যুক্ত খাবার বিক্রি অথবা উৎপাদন বন্ধের জন্য বলা হয়েছে। আমদানি-রপ্তানি নীতি ২০০৬-এ সার্টিফিকেট এবং বিভিন্ন পরীক্ষার কথা বলা হয়েছে। সম্প্রতি ১৯৫৯ সালের "চঁৎবঋড়ড়ফ ঙৎফরহধহপব"কে পরির্বতন ও পরিবর্ধন করে যুগোপযোগী নতুন আইন "নিরাপদ খাদ্য আইন-২০১৩" সংসদে পাস হয়েছে। এই আইনে সর্বোচ্চ ৫ বছরের জেল ও ১০ লক্ষ টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে।\
এতগুলো আইন থাকা সত্ত্বেও এর অধিকাংশই বাস্তবায়ন হচ্ছে না। যেমন: হোটেলগুলোতে মৃত মুরগি খাওয়াচ্ছে। আজো ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন একত্র করা হয়নি। ফরমালিন এবং ডিডিটি খাবারে সচরাচর পাওয়া যাচ্ছে। সম্প্রতি প্রাণ কোম্পানির মরিচের গুঁড়ায় বিদেশে রপ্তানি হওয়ার পরও ভেজাল পাওয়া গেছে। যেটা বাংলাদেশে খুব সহজেই পার পেয়ে গেছে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, আইন কিন্তু একটা জড় পদার্থ। আইনের সুফল হবে, নাকি কুফল হবে- তা নির্ভর করে যিনি আইন প্রয়োগ করবেন তার উপর। তিনি যদি দক্ষ এবং স্বচ্ছ না হন, তাহলে মানুষ এর দ্বারা কুফলও পেতে পারে। সুতরাং যাদেরকে এরকম মর্মস্পর্শী অভিযানের দায়িত্ব দেয়া হবে তাদের স্বচ্ছ এবং দক্ষ হওয়া দরকার। এবং তাদের পূর্ব অভিজ্ঞতা, আচরণ এবং কাজের মান দেখে মনোনীত করা উচিত।

দেশে ওষুধে ভেজাল পরীক্ষা করার জন্য যে ড্রাগ-ল্যাবরেটরি তৈরি করা হয়েছে সেখানেই সব রাসায়নিক মিশ্রণ পরীক্ষা করা সম্ভব। সরকারের নতুন করে কোনো অর্থ ব্যয় করতে হবে না। শুধু এর সঙ্গে খাদ্যকে একত্র করে সিদ্ধান্ত নিলেই এটা সম্ভব। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে "ঋড়ড়ফ ধহফ উৎঁম অফসরহরংঃৎধঃরড়হ" একত্রে কাজ করে। আমাদের দেশে শুধু আলাদা।
আইনের বিষয়ে অজ্ঞ থাকলে সেটা কোনো অজুহাত হতে পারে না। ভোক্তাকেও তার অধিকার জানতে হবে।
প্রসঙ্গত আমরা মনে করি যে, শুধু আইনের বল প্রয়োগেই এ ভেজাল প্রবণতা রোধ করা যাবে না। কারণ মানুষের তৈরি আইনের গোলকধাঁধায় মানুষ সহজেই পার পেয়ে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে অত্যাবশ্যকীয় হলো- মানুষের সৃষ্টিকর্তা খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি অনুগত হওয়া ও উনার ভয় লালন করা এবং এ সম্পর্কিত মূল্যবোধ ও চেতনা জাগ্রত করা।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, "সবচেয়ে গরিব কে? অতঃপর তিনি বলেন, সবচেয়ে গরিব ওই ব্যক্তি- যে ক্বিয়ামতের দিনে পাহাড় পরিমাণ নেকী নিয়ে উঠবে। মানুষ মনে করবে সে নিশ্চিত জান্নাতী। কিন্তু এরপর তার একের পর এক পাওনাদাররা আসবে। যাদের হক্ব সে নষ্ট করেছে। তখন তার নেকি দ্বারা তাদের সে হক্ব আদায় করা হবে। এরপরও বাকি থেকে যাবে। তখন পাওনাদারদের গুনাহ তার উপর চাপিয়ে দেয়া হবে। কিছুক্ষণ পূর্বে যে ব্যক্তি ছিল নিশ্চিত জান্নাতী এখন সে ব্যক্তি হয়ে পড়বে নিশ্চিত জাহান্নামী।" পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে এ ব্যক্তিকেই সবচেয়ে গরিব বলা হয়েছে।
মূলত, আজকের যুগে মানুষ যেভাবে অসততায় আর দুর্নীতিতে লিপ্ত হয়েছে, তা দেখেই ভেজালকারী ও দুর্নীতিবাজরা আরো সাহসী ও সক্রিয় হয়ে উঠেছে। তার পরিণতিতেই সারা দেশব্যাপী এত ভেজাল আর দুর্নীতি ছড়িয়ে পড়েছে

--
Pl see my blogs;


Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর প্রতি এক মুসলিম নারীর খোলা চিঠি .A Muslim woman writes an open letter to the British Prime Minister!

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর প্রতি এক মুসলিম নারীর খোলা চিঠি - See more at: http://www.dailynayadiganta.com/detail/news/42389#sthash.4Wj0bq0y.dpuf
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন সম্প্রতি পার্লামেন্টে রেডিকেলাইজেশনের ওপর যে বক্তৃতা দিয়েছেন, তাতে অনেক মুসলিম ক্ষুব্ধ ও মর্মাহত হয়েছেন। ব্রিটিশ মুসলিম নারী সিমা ইকবাল প্রধানমন্ত্রী বরাবর এক খোলা চিঠিতে বলেন, আমার জীবনে প্রথমবারের মতো মনে হচ্ছে আমি ব্রিটেনের অধিবাসী নই। আপনি চরমপন্থী মোকাবেলার যে পরিকল্পনা করেছেন- সে ব্যাপারে ব্রিটিশ মুসলিমরা অত্যন্ত উদ্বিগ্ন। খোলা চিঠিটি গার্ডিয়ান থেকে নয়া দিগন্তের পাঠকদের জন্য অনুবাদ করেছেন মুহাম্মদ খায়রুল বাশার।

প্রিয় মি. ক্যামেরন, আপনি আমূল সংস্কারের বিষয়ে চলতি সপ্তাহে যে বক্তৃতা দিয়েছেন- সত্যিকার অর্থে আমার মতো নাগরিকদের কাছে এই বক্তৃতার অর্থ কী?
মানচেস্টারে জন্মগ্রহণ এবং এখানে বেড়ে ওঠা সত্ত্বেও এবং মানচেস্টারের একজন অধিবাসী হিসেবে আমি গর্ববোধ করলেও (লিভারপুল এফসির জন্য বা পক্ষে আমার সমর্থনের কথা না হয় নাইবা বললাম) গত ৩৭ বছরের মধ্যে এই প্রথমবার আমার মনে হচ্ছে, আমি ভাবছি, আমি এখানকার অধিবাসী নই। এবং হ্যাঁ, আমি একজন মুসলিম, কেবল একজন ব্রিটিশ মুসলিম। আমি এখানে 'মুসলিম কমিউনিটি বা সম্প্রদায়' পরিভাষাটি শুনে আসছি। আমরা মনে করি, এই কমিউনিটি একটি শান্তিপূর্ণ ও কঠোর পরিশ্রমী- যারা তাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অধিকতর ভালো ভবিষ্যৎ বিনির্মাণের লক্ষ্যে যুক্তরাজ্যে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। এখন আমি শুনছি এবং দেখছি একটি ভুলভাবে উপস্থাপন করা, হামলার মুখে থাকা একটি ভীত সম্প্রদায়ের মতো করে মুসলিমদের একটি প্রতিচ্ছবি সমাজে পেশ করা হচ্ছে। তাদের সদাসর্বদা ক্ষমা প্রার্থনা করার প্রয়োজনীয়তা এবং তাদের ধর্মীয় বিশ্বাসকে রক্ষা করার জন্য পেরেশানির মধ্যে রাখা হচ্ছে।
অনেকেই আপনার বক্তৃতা বা ভাষণে সাড়া দিয়েছেন এবং কেউ কেউ এই বক্তৃতা নিয়ে ভালোভাবে গবেষণা ও বিশ্লেষণ করছেন। কিন্তু, আমি আপনাকে আমার মতো কারো কারো কথা বলতে বা শুনাতে চাই। আপনি এবং আপনার সরকার আরোপিত বা চাপিয়ে দেয়া আইনের মাধ্যমে আমার সন্তানদের ভবিষ্যতের ব্যাপারে যে পরিকল্পনা আরোপ করছেন, সে ব্যাপারে আমার আস্থা বা বিশ্বাস থাকা দরকার।

পাসপোর্টের ব্যাপারে যে প্রস্তাব দেয়া হয়েছে, সেটা দিয়ে শুরু করা যাক। চলতি সপ্তাহে আপনি বলেছেন- পিতা-মাতা যদি আশঙ্কা করে তাদের সন্তান আইসিসের পক্ষে যুদ্ধ করার জন্য সিরিয়া অথবা ইরাক যাবে তাহলে সন্তানদের পাসপোর্ট বাতিল করার ক্ষমতা পিতা-মাতার থাকবে। কোনো মাতা-পিতাই তাদের সন্তানদের যুদ্ধে যেতে দিতে চায় না, এটা কেবল মুসলিম পিতা-মাতার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য নয়। আইসিসে কেউ কেন যোগ দেবে তা আমার বুঝে আসে না। সুতরাং একজন পিতা-মাতা হিসেবে আমার সন্তানকে ক্ষতিকর কাজে যাওয়া বন্ধ করলে বা থামিয়ে দিলে সেটাকে স্বাগত জানানো হবে। কিন্তু কেবল অনুসন্ধিৎসা থেকে জানতে চাই, আমার সন্তানের পাসপোর্ট বাতিল করা হলে তাদের কি তারপর অহিংস চরমপন্থী হিসেবে চিহ্নিত করা হবে? যদি তাই হয়, ভবিষ্যতে তাদের পরিণাম কী হবে? এই মুহূর্তে 'আইডোলজি বা আদর্শ' সম্পর্কে বেশ কথাবার্তা হচ্ছে। স্পষ্টত জেনে রাখুন যে, 'আদর্শ' আমাকে বিচ্ছিন্ন করে রাখতে পারবে না। 'আদর্শ' ব্যাপক সংস্কার বা আমূল সংস্কার করতে পারবে না। ইসলাম ফোবিয়া বা ইসলাম ভীতি, পররাষ্ট্রনীতি এবং দ্বিমুখীনীতি আমাকে বিচ্ছিন্ন এবং আতঙ্কগ্রস্ত করেছে। ব্যাপক সংস্কার বা আমূল সংস্কার করার পেছনে ফারাক রয়েছে, সে ব্যাপারে আমার সন্দেহ জাগে। টনি ব্লেয়ারসহ অন্যদের মতো আপনি বলেছেন, আপনার লক্ষ্য মুসলিম এবং ইসলাম নয়- লক্ষ্য হলো ভয়ঙ্কর জিহাদি ইজম। আপনার আন্তরিকতা নিয়ে বিশ্বাস করা আমার জন্য কঠিন। কারণ, এমন এক সমাজ আপনি তৈরি করেছেন যেখানে ইসলামের কোনো বিষয় নিয়ে আলোচনা করলেই চরমপন্থী হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
মুসলিম এবং ইসলামকে অন্যায়ভাবে উপস্থাপনের মাধ্যমে এর মানহানি করা হচ্ছে এবং সমাজ ও মিডিয়া ইসলামকে পৈশাচিকভাবে উপস্থাপন করে বিভ্রান্ত ছড়াচ্ছে।

ইসলামের ব্যাপারে আতঙ্ক সৃষ্টি করে হামলার ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। এখনো অবশ্য আমি ইসলামফোবিক হামলার টার্গেট হইনি। অবশ্য আমি মাথায় স্কার্ফ পরিধান করি না অথবা আমি অধিকতর পশ্চিমা স্টাইলের পোশাক পরিধান করে থাকি, সে কারণে হয়তো আমার ওপর হামলা হচ্ছে না বা সমালোচনা হচ্ছে না। আমি অবশ্য এটাকে এভাবে চিন্তা করি না। কিন্তু আমি যখন পত্র-পত্রিকায় নিউজ দেখি তখন দেখতে পাই পক্ষপাতদুষ্ট হেডলাইন বা শিরোনাম। 
আপনি ইসলাম ফোবিয়া তথা ইসলাম নিয়ে আতঙ্ক ছড়ানোর কথা উল্লেখ করেছেন- কিন্তু এর পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে আপনি কি পদক্ষেপ নিয়েছেন? আপনার বক্তৃতার ওই অংশটি কি আমি মিস করেছি? সাধারণ নির্বাচনের আগে ইসলাম নিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করাকে একটি পৃথক অপরাধ হিসেবে রেকর্ড করার প্রস্তাব করা হয়েছিল। কিন্তু এ ব্যাপারে কি কোনো পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে?

গণমাধ্যমের 'সন্ত্রাসবাদ' পরিভাষাটির ক্ষতিকর ব্যবহার বিশ্ব মুসলিম ও সন্ত্রাসবাদের মধ্যে সম্পর্ক বা যোগসূত্র সৃষ্টি করেছে। জনগণের মনমানসিকতায় সন্ত্রাসবাদকে সম্পৃক্ত করে মুসলিম সম্প্রদায়ের ব্যাপারে ঘৃণা ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে। দাইলান রৌফকে অনেকে সাধারণ একজন 'শুটার' হিসেবে বর্ণনা করেছে, অথচ সে ঘৃণা ছড়িয়ে দেয়ার ব্যাপারে লিখিত ঘোষণা দিয়েছে। আমার সন্তানদের খবর দেখা এবং পত্র-পত্রিকা পড়া বন্ধ করে দেয়া উচিত কেন? যারা সুস্পষ্টভাবে ইসলামের অর্থ বোঝেন না, ইসলাম সম্পর্কে সঠিক ধারণা যাদের নেই, মিডিয়া সে ধরনের কিছু সংখ্যক লোকের কাজকর্মকে ইসলামের বিরুদ্ধে ব্যবহার করছে। বিশ্বব্যাপী ১০৬ কোটি মুসলমানকে কলঙ্কিত ও একটি শান্তিপূর্ণ ধর্মকে দৈত্যরূপে মানুষের কাছে পেশ করার জন্য মিডিয়াকে ব্যবহার করা হচ্ছে। যুক্তরাজ্যে মুসলমানদের সাথে কী ধরনের ব্যবহার করা হচ্ছে এবং ইসলামের ব্যাপারে ভুল বোঝাবুঝির মাধ্যমে আতঙ্ক সৃষ্টি করার জন্য মিডিয়াকে কিছু দায়দায়িত্ব বহন করতে হবে।

ডেভিড, আপনাকে মিডিয়ায় সঠিক রিপোর্টিং অর্থাৎ সঠিকভাবে খবরাখবর প্রচারের বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। মিডিয়ায় সঠিকভাবে খবরাখবর প্রচার না করার যে দ্বিমুখী নীতি, নিয়মিত আইপিএসও বা স্বাধীন ও নিরপেক্ষ সংস্থা কর্তৃক অপর্যাপ্তভাবে পর্যবেক্ষণের ব্যাপারে আপনাকে নজর দিতে হবে। আপনি পররাষ্ট্রনীতির বিষয়টি উল্লেখ করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন। অসংখ্য ও ব্যাপক বোমা বর্ষণের রাজনীতি নিয়ে আমি কথা বলব না। কিন্তু গত বছর ৫১৯টি ফিলিস্তিনি শিশুকে যে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে সেটা আমি আমার দু'সন্তানের কাছে কিভাবে ব্যাখ্যা করব? যুক্তরাজ্য সে ব্যাপারে কিছুই করেনি। যখন ইরাকে ব্যাপক ধ্বংসাত্মক অস্ত্র খোঁজার নামে প্রায় পাঁচ লাখ মানুষকে নির্বিচারে হত্যা করা হলো অথচ সেখানে ওই ধরনের কোনো অস্ত্র ছিল না। এই বিষয়টি কি আপনি আমার দুই সন্তানের কাছে ব্যাখ্যা করতে পারবেন?

তাদের ভবিষ্যৎ কী হবে সে ব্যাপারে আমি উদ্বিগ্ন ও বিস্মিত। তারা কি তাদের যে বিশ্বাস তা কি মেনে চলতে বা অনুশীলন করতে পারবে? বর্তমান আইনানুযায়ী শিক্ষকেরা তাদের যেসব তথ্য দিচ্ছেন সে অনুযায়ী তারা কি সুচারুভাবে ধর্মকর্ম পালন করতে পারবে? এই আইনের অধীনে ধর্মচর্চা তথা ধর্মীয় কর্মকাণ্ডকে বৃদ্ধির যেকোনো লক্ষণ দেখা গেলে সেটাকে কি রেডিকেলাইজেশন আমূল সংস্কার বা ব্যাপক সংস্কার হিসেবে দেখা হবে? চলতি মাসে ব্রিটিশ শিক্ষাবিদেরা এই আইনকে একটি ব্যর্থতা বলে উল্লেখ করে ব্রিটেনের প্রধান প্রধান সংবাদপত্রে খোলা চিঠি দিয়েছিলেন। তারা ওই আইনকে কেবল মুসলিমদের ক্ষেত্রেই একটি ব্যর্থতা বলে উল্লেখ করেননি, যেকোনো মানুষ তিনি একজন শিক্ষক অথবা চিকিৎসক যাই হোন না কেন, অন্যের ক্ষতি করা বন্ধ করবেন। একজন জিপি হিসেবে এই আইন দ্বারা আমি অপমানিত বোধ করছি। আপনি কি মনে করেন আমি আমার ক্যারিয়ারের গত ১২ বছর সময় ক্ষতিকর কোনো কিছু ঘটার বিষয়টি অনুমোদন করেছি।

আমার সন্তানদের জন্য চাকরির কি সুযোগ সুবিধা থাকবে? যারা মনে করে 'মুসলমানরা সরকারের ওপর কর্তৃত্ব গ্রহণ বা প্রভাব বিস্তার করেছে'- এ ধরনের বক্তব্যের ব্যাপারে আপনি নিদারুণ বিরক্তি প্রকাশ করেছেন। কর্মক্ষেত্রে বর্তমানে মুসলমানেরা যে বৈষম্যের শিকার হচ্ছে সেটা কিভাবে নিয়ন্ত্রণ করবেন, সে ব্যাপারে কোনো কিছু উল্লেখ করতে আপনি ব্যর্থ হয়েছেন। মুসলমানেরা নিজেদের এ দেশের অধিবাসী হিসেবে ভাবতে পারবে- এ ধরনের পরিবেশ সৃষ্টির বিষয়টি কিভাবে আপনি নিশ্চিত করবেন?

আপনি বলেছেন, আপনি ব্রিটিশ মুসলিমদের মধ্যে উদারপন্থীদের ক্ষমতায়ন বা ক্ষমতার অধিকার দিতে চান। এটাকে আমি সর্বান্তকরণে স্বাগত জানাই। কখন আপনি কুইলিয়াম ফাউন্ডেশনে এমন মানুষদের প্রতিস্থাপিত করবেন যারা আমার প্রতিনিধিত্ব করে এবং ব্রিটিশ মুসলিমদের মধ্যে তাদের প্রতি আস্থা ও সম্মান রয়েছে। রেডিকেইলাইজেশন বা আমূল সংস্কারের হুমকি মোকাবেলায় আপনার সাথে কাজ করতে আগ্রহী বহু উদার মুসলিম এবং বহু সংগঠন রয়েছে। এরা যুক্তরাজ্যে বসবাসরত ২৭ লাখ ব্রিটিশ মুসলিমের প্রতিনিধি। চিন্তাভাবনা এবং উদ্বেগ উৎকণ্ঠার শেষ নেই। ব্রিটেনে মুসলিম হিসেবে বেঁচে থেকে এই মুহূর্তে এটাই হচ্ছে বাস্তবতা। সত্যিই আপনি 'চরমপন্থা' মোকাবেলা করতে চাইলে যারা দায়িত্বশীল ব্যক্তি তাদের সাথে কথা বলুন।

আপনার জবাবের অপেক্ষায় রইলাম।
- সিমা ইকবাল

 

__._,_.___

Posted by: Shah Abdul Hannan <shah_abdul_hannan@yahoo.com>
Reply via web postReply to senderReply to groupStart a New TopicMessages in this topic (1)

.
 
__,_._,___
Click here to ReplyReply to all, or Forward
4.46 GB (29%) of 15 GB used
Last account activity: 10 hours ago
Details

--
Pl see my blogs;


Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

Friday, July 31, 2015

Great victory for Anganwadi Workers' Movement in Delhi - DSAWHU statement

Dear All,
The anganwadi workers strike won an emphatic victory after 23 days of dharna and 7 days of indefinite hunger strike. Here is the statement of the union and pics of victory meeting, victory march and the copies of agreement signed by Delhi Government's CM and secretary of Women and Child Development Ministry.

Kindly, give it some space on your website/journal/magazine/newspaper as its news will boost the morale of workers struggling everywhere. 

With Regards,

Shivani: 9599458044
(Spokesperson)
Delhi State Anganwadi Workers and Helpers Union

--
Pl see my blogs;


Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

Warm Invitation for Conference on 02 Aug 2015




Regards

Raj Narayan
Convener, Janhit Abhiyan
New Delhi, India
9891309626

--
Pl see my blogs;


Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

ઇરાક અને સિરિયામાં આતંક મચાવ્યા બાદ ISISની નજર ભારત પર

 ઇરાક અને સિરિયામાં આતંક મચાવ્યા બાદ ISISની નજર ભારત પર
દુનિયાભરમાં ખુન-ખારાબા અને ખૌફનો આતંક ફેલાવનાર અબૂ બક્ર અલ બગદાદીના ટાર્ગેટ પર હવે ભારત છે. ISIS હવે ભારતમાં પોતાનું નેટવર્ક ફેલાવી રહ્યાં છે. અંગ્રેજી અખબાર 'મેલ ટુડે'એ ખુલાસો કરતા જણાવ્યું છે કે આતંકવાદી સંગઠન ભારત અને વિદેશમાં રહેતા મુસ્લિમોને જેહાદ અને પૈસાની લાલચ આપીને આતંકવાદી બનાવી રહ્યાં છે. ભારતમાં બગદાદી ઉભી કરી રહ્યો છે મોટી ફૌજ ઇસ્લામને ન માનનારા લોકોને નાસ્તિક ગણાવી તેમનું સર કલમ કરનાર બગદાદીનું ખાસ મનોરંજનુ સાધન છે. પરંતુ ભારતમાં ખુન-ખરાબા કરવા માટે બગદાદી સિરિયા અને ઇરાકથી પોતાના લડવૈયા નહી મોકલે પરંતુ ભારતના જ લોકોને ઉશ્કેરી પોતાના માટે મોટી ફૌજ તૈયાર કરવાનું કાવતરૂ ઘડી રહ્યો છે. તે ભારતના યુવાનોને ફોસલાવીને આતંકના રસ્તે ઘકેલવાની ફિરાકમાં છે. આવી રીતે ISIS ભારતમાં ફેલાવી રહ્યો છે નેટવર્ક ઇન્ટેલિજન્સ એજન્સીઓએ ગત વર્ષે તેલંગણાના લગભગ 17 યુવાનોની અટકાયત કરી હતી જે તુર્કી થઇને સિરિયા જઇને ISISમાં જોડાવવાની ફિરાકમાં હતા. આ યુવાનોમાંથી એક હૈદરાબાદ નિવાસી યુવાન મુસૈબએ (નામ બદલ્યું છે) 'મેલ ટુડે'ને આપેલા ઇન્ટરવ્યૂવમાં જણાવ્યું કે ભારતમાં ISISના બે સંચાલક ગુજરાતના રહેવાસી છે. આ ઉપરાંત સાઉદી અરેબિયા અને અફઘાનિસ્તાનમાં રહેતા કેટલાક ભારતીય પણ આતંકવાદી સંગઠનમાં જોડાવવા માટે મુસ્લિમ યુવાનોનું બ્રેન વોશ કરી રહ્યાં છે. તેમાથી એક હતો ઇન્ડિયન મુઝાહિદ્દીનના આતંકવાદી સુલતાન અરમર શાહ, જે ISIS તરફ લડતા માર્યો ગયો. મુસૈબ અને તેના ત્રણ અન્ય મિત્રોએ જણાવ્યું કે કેવી રીતે ઇન્ટરનેટ થકી આતંકવાદીઓ યુવાનોનો સંપર્ક કરે છે અને તેમને સિરિયા પહોંચાડવાનો બંદોબસ્ત પણ કરે છે. તેમણે જણાવ્યું કે તેમણે દુબઇથઇ 53 હજાર રૂપિયા અને યુનાઇટેડ કિંગડમથી એક લાખ રૂપિયા મોકલાવ્યા હતા. ISISના 70-75 કાર્યકર્તા પર ઇન્ટેલિજન્સની બાજ નજર ISISના દરેક ટ્વીટર એકાઉન્ટની જાણ ઇન્ટેલિજન્સને જાણ છે અને તેના પર બાજ નજર પણ છે. જો કે તેમના નામનો ખુલાસો કરવામાં આવ્યો નથી. પરંતુ સુત્રો અનુસાર દિલ્હી, સૂરત અને જમ્મુ-કાશ્મીરના કેટલાક અલગાવવાદિઓ પર તેમની ચાંપતી નજર છે. વળી ઇન્ડિયન મુજાહિદ્દીનના પણ કેટલાય આતંકવાદી ISISના આતંકવાદીઓના સંપર્કમાં છે. ઇન્ટેલિજન્સ એજન્સીઓએ ISISના આતંકવાદીઓ ભારતમાં ઘૂષણખોરી કરી હોવાના સમચાર મળ્યા છે. તેમાં તેલંગણા, આંધ્ર પ્રદેશ, મહારાષ્ટ્રસ પશ્ચિમ બંગાળ, ઉત્તર પ્રદેશ, દિલ્હી, બિહાર, જમ્મુ-કાશ્મીર અને તામિલનાડુ અત્યંત સંવેદનશીલ છે.

--
Pl see my blogs;


Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

મધરાતે મળી આઝાદી; ૧૪૦૦૦ બાંગ્લાદેશી ભારતીય બન્યા


મધરાતે મળી આઝાદી; ૧૪૦૦૦ બાંગ્લાદેશી ભારતીય બન્યા
કોલકાતા: ગઈ શુક્ર-શનિવારની મધરાત હજારો લોકો માટે આઝાદી લઈને આવી છે. નાગરિકતા માટે તરસી રહેલા હજારો એન્ક્લેવ (ક્ષેત્ર) રહેવાસીઓ હવે ભારતીય બની ગયા છે. ભારત-બાંગ્લાદેશ વચ્ચે ભૂમિ સમજૂતી (લેન્ડ ડીલ)ને કારણે આ શક્ય બન્યું છે. આ હજારો લોકોને ભારતીય નાગરિકત્વ આપવાનું કામ શરૂ પણ કરી દેવામાં આવ્યું છે. હાલ ભૂતપૂર્વ રાષ્ટ્રપતિ ડો. અબ્દુલ કલામના નિધનને કારણે સાત-દિવસનો રાષ્ટ્રીય શોક હોઈ ભારત-બાંગ્લાદેશ એન્ક્લેવ એક્સચેન્જ અમલીકરણનો કોઈ સત્તાવાર ઊજવણી કાર્યક્રમ યોજાયો નથી, પણ ગઈ મધરાતે ૧૨.૦૧ વાગતા જ ઉત્સાહિત લોકોએ ફટાકડા ફોડ્યા હતા અને આનંદ વ્યક્ત કર્યો હતો. ભારતીય બનતાં હજારો લોકોએ ખુશી વ્યક્ત કરી ભારતીય બનતાં હજારો લોકોએ ખુશી વ્યક્ત કરી ભારત-બાંગ્લાદેશ વચ્ચે વસાહતોની આપ-લેની સમજૂતી મુજબ ૫૧,૦૦૦ ગરીબ વસાહતીઓને ૬૮ વર્ષ બાદ તેમનો પોતાનો દેશ, નાગરિકત્વ મળ્યા છે. અત્યાર સુધી તેઓ દેશવિહોણા લોકો તરીકે રહેતા હતા. હવેથી ભારતીય ભૂમિ પરના ૫૧ બાંગ્લાદેશી એન્કલેવમાં રહેતા ૧૪,૦૦૦ લોકો અને બાંગ્લાદેશની ધરતી પરના ૧૧૧ ભારતીય એન્કલેવમાં રહેતા બીજા ૩૭,૦૦૦ લોકોને દેશ પ્રાપ્ત થયો છે. ભારત-બાંગ્લાદેશ એન્ક્લેવ એક્સચેન્જ કોઓર્ડિનેશન કમિટીએ પશ્ચિમ બંગાળના કૂચ બિહારના માસલદાંગા એન્ક્લેવમાં ગઈ રાતે આતશબાજી કરી હતી. ઉત્સાહિત લોકોએ ભારતનો રાષ્ટ્રીય ધ્વજ ફરકાવ્યો હતો. દિલ્હીમાં, વિદેશ મંત્રાલયે એક નિવેદનમાં કહ્યું કે ૩૧ જુલાઈ ભારત-બાંગ્લાદેશ, બંને માટે ઐતિહાસિક દિવસ છે. આ દિવસે એ જટિલ પ્રશ્ને સમાધાન થયું જે આઝાદી બાદ વિલંબમાં હતું. ભારતે ૫૧ એન્ક્લેવ બાંગ્લાદેશને સુપરત કર્યા છે જ્યારે આ પડોશી દેશે લગભગ ૧૧૧ એન્ક્લેવ ભારતને સોંપી દીધા છે. હવેથી આ બાંગ્લાદેશી એન્ક્લેવ ભારતનો ભાગ થઈ ગયા છે જ્યારે ભારતીય એન્ક્લેવ બાંગ્લાદેશમાં જોડાઈ જશે. વડા પ્રધાન નરેન્દ્ર મોદી અને બાંગ્લાદેશી વડા પ્રધાન શેખ હસીના વચ્ચે તાજેતરમાં ઢાકામાં કરાયેલી સમજૂતી અનુસાર ભારતે ૧૧૧ એન્કલેવને આવરી લેતી ૧૭,૧૬૦ એકર જમીન બાંગ્લાદેશને આપી દીધી
--
Pl see my blogs;


Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!
Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...

Welcome

Website counter

Followers

Blog Archive

Contributors