Twitter

Follow palashbiswaskl on Twitter

Thursday, February 14, 2013

প্রযুক্তিবিদ তরুণদের জন্যে কানাডায় সুবর্ণ সুযোগ!

http://www.thebengalitimes.com/details.php?val=5942&pub_no=167&menu_id=2
প্রযুক্তিবিদ তরুণদের জন্যে কানাডায় সুবর্ণ সুযোগ!
কানাডার ইমিগ্রেশন মন্ত্রি জেসন কেনি
 দ্য বেঙ্গলি টাইমস ডটকম
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মেধাবী প্রযুক্তি উদ্যোক্তাদের নিয়ে আসতে কানাডা বিশেষ এক অভিবাসন কর্মসূচি শুরু করতে যাচ্ছে। ফেডারেল সরকারের ঘোষিত এই কর্মসূচি সফল হলে দেশের প্রযুক্তি কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত সিলিকন ভ্যালিতে বিপ্লব আনবে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রযুক্তিবিদ্যায় সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার পরিকল্পনাসমৃদ্ধ এই কর্মসূচির ফলে ভবিষ্যতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির বিশ্বে কানাডাকে প্রথম সারিতে নিয়ে যাবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন। পয়লা এপ্রিল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির লক্ষ্য হচ্ছে, আগামী দিনে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে বিল গেটস ও স্টিভ জবসদের মতো সম্ভাবনাময় মেধাবী প্রযুক্তি উদ্যোক্তাদের পুঁজি সরবরাহ করে কানাডার উন্নয়নে কাজে লাগানো। 
অভিবাসন ও বহুসংস্কৃতি মন্ত্রী জেসন কেনি ফেডারেল সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরে বলেছেন, পরীক্ষিত ও যোগ্যতাসম্পন্ন ভিনদেশী তরুণ উদ্যোক্তারা কানাডায় তাদের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলবে। তারা নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং সম্পদ ও রপ্তানি ক্ষেত্রে অবদান রাখবে। পৃথিবীব্যাপী হাইটেক শিল্পে এ ধরনের কর্মসূচির চর্চা অনেক দিন ধরেই হয়ে আসছে। তবে মেধাবী প্রযুক্তিবিদদের কানাডায় স্থায়ী নিশ্চয়তা দিয়ে এ ধরনের চর্চাকে আরও নিখুঁত করতে চাইছে। 
জেসন কেনি সিটিভির পাওয়ার প্লে অনুষ্ঠানে জানান, নতুন কর্মসূচির আওতায় কানাডার পুঁজিপতিরা, যারা ঝুঁকি কাঁধে নিয়ে নতুন ব্যবসায় অর্থের জোগান দেন, তাঁরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের উজ্জ্বল, সম্ভাবনাময় ও মেধাবী তরুণদের কানাডায় তাদের ব্যবসা শুরু করার আমন্ত্রণ জানিয়ে নিয়ে আসতে পারবেন। এই কর্মসূচিতে ভিসা পেতে আবেদনকারীকে অবশ্যই কানাডার কোনো মূলধনী সংস্থার আর্থিক সহায়তার নিশ্চয়তাপত্র উপস্থাপন করতে হবে।
জেসন কেনি বলেন, বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সিলিকন ভ্যালিতে এশিয়ার কয়েক হাজার মেধাবী তরুণ প্রযুক্তিবিদ নানা ধরনের ব্যবসা পরিচালনা করছে। নতুন নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন করছে। এদের মধ্যেই লুকিয়ে আছে ভবিষ্যতের বিল গেটস ও স্টিভ জবসরা। কিন্তু এসব তরুণ উদ্যোক্তা যুক্তরাষ্ট্রের জটিল অভিবাসন নীতির কারণে সহজে স্থায়ী নাগরিকত্ব পাচ্ছে না। যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি উদ্যোক্তা কর্মসূচির আওতায় দু-এক বছরের ভিসা নিয়ে ওই এশিয়ান তরুণরা যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছে। ভিসার মেয়াদ শেষে তারা এক ধরনের অনিশ্চয়তায় ভোগে। কেনি আরও বলেন, কানাডা এ ধরনের তরুণদের গোল্ড স্টান্ডার্ড মর্যাদা দিয়ে অত্যন্ত দ্রুত গতিতে স্থায়ীভাবে থাকার বন্দোবস্ত করে দেবে। কানাডার হয়ে কাজ করার জন্য তাদের সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হবে।
কেন্দ্রীয় সরকার বলছে, মেধাবী প্রযুক্তিবিদদের তড়িৎ গতিতে স্থায়ীভাবে কানাডায় থাকার ব্যবস্থা করে দেওয়া এ ধরনের অভিবাসন কর্মসূচি বিশ্বের আর কোনো দেশে নেই। ব্যবসা দাঁড় করানোর জন্য সরকার প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করবে। সরকার শুধু আশা করে, মেধা ও যোগ্যতা দিয়ে এসব তরুণ প্রযুক্তিবিদ কানাডায় কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও দীর্ঘমেয়াদি সমৃদ্ধিতে অবদান রাখবে।

No comments:

Post a Comment

Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...

Welcome

Website counter

Followers

Blog Archive

Contributors