Twitter

Follow palashbiswaskl on Twitter

Friday, February 8, 2013

আগামী দুবছরে ডিজেলে সম্পূর্ণ বিনিয়ন্ত্রণ, জানাল যোজনা কমিশন

আগামী দুবছরে ডিজেলে সম্পূর্ণ বিনিয়ন্ত্রণ, জানাল যোজনা কমিশন

আগামী দুবছরে ডিজেলে সম্পূর্ণ বিনিয়ন্ত্রণ, জানাল যোজনা কমিশন
নয়াদিল্লি: দেশের বাজারে ডিজেলের দাম ধীরে ধীরে বাড়িয়ে ২০১৫ সালের মাঝামাঝি আন্তর্জাতিক বাজারের সমান করা হবে৷ বৃহস্পতিবার এ কথা জানান যোজনা কমিশনের ডেপুটি চেয়ারম্যান মন্টেক সিং আলুওয়ালিয়া৷ 

আলুওয়ালিয়া বলেন, 'নিকট ভবিষ্যতে ডিজেলের দামে ভর্তুকি আস্তে আস্তে কমিয়ে আনা হবে যাতে ২০১৫ সালের মাঝামাঝি ডিজেলে বেচে তেল সংস্থাগুলির আর কোনও 'আন্ডার রিকভারি' না থাকে৷' আন্তর্জাতিক দামের তুলনায় কম দামে দেশের বাজারে ডিজেল বিক্রি করে তেল সংস্থাগুলির যে পরিমাণ লাভ করার থেকে বঞ্চিত হয় সেই টাকার অঙ্ককেই বলে 'আন্ডার রিকভারি'৷ 

আন্তর্জাতিক বাজারের তুলনায় বর্তমানে ডিজেল, এলপিজি, কয়লা ও প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম অনেকটাই কম এ দেশে৷ 'এই জ্বালানি সামগ্রীগুলি 'আন্ডার প্রাইসড'৷ তবে ২০১৫ সালের মাঝামাঝি ডিজেলের আন্ডার প্রাইসিং মুছে ফেলা হবে৷ ধীরে ধীরে ডিজেল খাতে ভর্তুকি কমানো হবে ও ডিজেলের দাম বাড়ানো হবে,' আলুওয়ালিয়া বলেন৷ 

সম্প্রতি, ডিজেলে আংশিক বিনিয়ন্ত্রণে অনুমতি দিয়েছে সরকার৷ যার ফলে জানুয়ারি মাসেই ডিজেলের লিটার প্রতি দাম ৪০ থেকে ৫০ পয়সা বাড়িয়ে দিয়েছে তেল বিপণন সংস্থাগুলি৷ বর্তমানে, লিটার প্রতি ডিজেলে 'আন্ডার রিকভারি' থাকে ১০ টাকা৷ লিটার প্রতি ৫০ পয়সা বাড়ালে সেই লোকসান কিছুটা পূরণ করা যায়৷ 

আলুওয়ালিয়া বলেন, ধনী রাষ্ট্রগুলি জ্বালানি খাতে ভর্তুকি খরচ বহন করতে পারে৷ কারণ, জ্বালানি খাতে ভর্তুকি দিলে তাদের আয় কমে যাবে না৷ গরিব দেশগুলির পক্ষে এটা করা সম্ভব নয়৷ যে সব রাষ্ট্র নিজেদের ধনী গোষ্ঠীতে আনতে চায় সারাজীবন এই ভর্তুকি বোঝা টানতে পারবে না৷ 

তবে, আলুওয়ালিয়া এটাও জানিয়েছেন রাজনৈতিক দিক থেকে ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণ বোঝানোটা কঠিন৷ অর্থনীতির যুক্তিতেই একমাত্র এর উত্তর পাওয়া যাবে৷ তবে আগামী দিনে ডিজেল, কয়লা ও রান্নার সিলিন্ডার যে মহার্ঘ হবে তা যোজনা কমিশনের বক্তব্য থেকে স্পষ্ট৷ এখানে এনার্জি কংগ্রেসের সম্মেলনে আলুওয়ালিয়া বলেন, শক্তি সম্পর্কে কথা বললেই কয়লা, গ্যাস, বিদ্যুত্‍ সব কিছুর কথাই বলতে হবে৷ যথেষ্ট পরিমাণ শক্তি না থাকলে দেশে শক্তির চাহিদা মেটানো অসম্ভব৷ মনে রাখতে হবে, শক্তি সম্পদ কিন্ত্ত অপ্রতুল৷ তাই, দেশে শক্তির চাহিদা মেটাতে পুনর্ব্যবহারযোগ্য শক্তির উপর নির্ভর করতেই হবে৷ পাশাপাশি, বিকল্প জ্বালানির উত্সের কথাও ভাবতে হবে যেমন, শেল গ্যাস৷ শেল গ্যাস এক ধরনের প্রাকৃতিক গ্যাস৷ আমেরিকা ও চিন বিকল্প জ্বালানি হিসেবে এই শেল গ্যাস ব্যবহার করার কথা ভাবছে৷ ভারত সরকারও শেল গ্যাসের ব্যবহার চালু করার কথা ভেবেছিল৷ কিন্ত্ত প্রাথমিক পর্যায়ে শেল গ্যাসের পরীক্ষা-নিরিক্ষা নিয়ে সরকার সন্ত্তষ্ট নয়৷ আলুওয়ালিয়া জানান, সৌর ও বায়ু শক্তির ব্যবহার নিয়েও চিন্তার ভাবনা করছে সরকার৷ 

No comments:

Post a Comment

Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...

Welcome

Website counter

Followers

Blog Archive

Contributors