Twitter

Follow palashbiswaskl on Twitter

Wednesday, July 2, 2014

‘চক্রান্ত’-তত্ত্বে নিষ্কৃতি তাপসের! City of joy becomes Venice of slums and all lost rivers return with venom.Venom spills over waterlogged Bengal as crimes have been institutionalised under political system and multi headed civil society engaged in butter slices! বঁটি দিয়ে কেটে দে, তাপসের সুরে অরূপ-বাণী

‘চক্রান্ত’-তত্ত্বে নিষ্কৃতি তাপসের!

City of joy becomes Venice of slums and all lost rivers return with venom.Venom spills over waterlogged Bengal as crimes have been institutionalised under political system  and multi headed civil society engaged in butter slices!

Palash Biswas
শাসক দলের সংস্কৃতি বজায় রেখে এবার খোলা মাঠে দাঁড়িয়ে বিরোধীদের হুমকি দিলেন তৃণমূলের অভিনেতা-সাংসদ এবং সম্ভবত ছাপিয়ে গেলেন কুকথার যাবতীয় সীমা-পরিসীমা। বিরোধীদের শুধু গুলি করে মারার হুমকি নয়, তৃণমূলের ছেলেদের দিয়ে তাদের ‘রেপ করিয়ে’ দেয়ার হুমকিও দিয়ে রেখেছেন তিনি। দাদার এই নয়া কীর্তিতেও পশ্চিমবঙ্গের পুলিশ অবশ্য সাম্প্রতিক রেওয়াজ মেনে নীরব। অনুব্রত, মনিরুলের মতো তাপসকেও গ্রেফতার করার পথে হাঁটেনি তারা। উল্টো নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সচিব বলেছেন, ‘এ ব্যাপারে কেউ তো কোনও অভিযোগ দায়ের করেনি। যদি কেউ এফআইআর করেন, তা হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।’


বঁটি দিয়ে কেটে দে, তাপসের সুরে অরূপ-বাণী

এ বলে আমায় দেখ, ও বলে আমায়! তৃণমূল সাংসদ তাপস পালের আপত্তিকর মন্তব্যে জেরে ইতিমধ্যেই তোলপাড় রাজ্য-দেশের রাজনীতি। তারই মধ্যে বিরোধীদের (বিজেপি) ‘কেটে ফেলার’ হুঙ্কার দিয়ে বিতর্কে জড়ালেন বাঁকুড়া জেলা পরিষদের সভাধিপতি, তৃণমূল নেতা অরূপ চক্রবর্তী। তাপস দিয়েছিলেন বিরোধীদের গুলি করে মারার শাসানি, অরূপের মুখে এল বিরোধীদের ‘বলি’ দেওয়ার হুমকি। এবং এ সবই হয়েছে পুলিশের উপস্থিতিতে।

নিজস্ব সংবাদদাতা
০২ জুলাই, ২০১৪

P1-WATER
একদিনে বর্ষণের নিরিখে গত ১০ বছরের রেকর্ড ভেঙে দিল মঙ্গলবারের বৃষ্টি৷ এদিন সন্ধেয় সাড়ে আটটা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি হয়েছে ১৬৮.৪ মিলিমিটার৷ ২০০৭-এর ৩ জুলাই ১৬২.৭ মিমি বৃষ্টি হয়েছিল শহরে৷ তবে জুলাই মাসে একদিনে বৃষ্টির সর্বকালীন রেকর্ডটা ১০৯ বছরের পুরোনো, সেবার বৃষ্টি হয়েছিল ১৮৩.৬ মিলিমিটার৷ এদিন আরও ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর৷ এদিন এই প্রবল বর্ষণের জেরেই অশেষ ভোগান্তি পোয়াল কলকাতা শহর ও শহরতলি৷ অফিসফেরত অসংখ্য মানুষ শহরের বিভিন্ন প্রান্তে হাঁটু থেকে কোমরজলে নাকাল হলেন৷ একে তো ভারী বর্ষণে রাস্তায় যানবাহন ছিল না বললেই চলে৷ সুড়ঙ্গে জল ঢুকে যাওয়ায় ধীরে চলেছে মেট্রো, ব্যাহত হয়েছে হাওড়া-শিয়ালদহ লাইনে ট্রেন চলাচলও৷ পরিস্থিতি এতটাই খারাপ হয় যে, অভিজাত পাড়া হিসেবে পরিচিত আলিপুরে মুখ্যসচিব সঞ্জয় মিত্রের বাংলোর সামনেও জল জমে যায়৷ কেন এই হাল হল? পুরসভার পক্ষ থেকে দায়ী করা হয়েছে বিদ্যুত্‍ বিভ্রাটকে, যার ফলে বালিগঞ্জ পাম্পিং স্টেশনের পাম্প বন্ধ ছিল এক ঘণ্টা৷


মিডিয়ার ষড়যন্ত্র! তাপসের পাশেই মুখ্যমন্ত্রী

মিডিয়ার ষড়যন্ত্র! তাপসের পাশেই মুখ্যমন্ত্রীদোলাচলে থেকে অবশেষে তাপস পালের পাশে দাঁড়ল তৃণমূল দল। তৃণমূলের সর্বদলীয় বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান, "ও নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছে। তাপসের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র মিডিয়ার"। এই বৈঠকে তাপস পাল উপস্থিত ছিলেন না।

কুরুচিকর মন্তব্য করে মণিরুল, অনুব্রতর মতো তাপস পালও ছাড় পেলেন। শুধুমাত্র নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়ে হুমকি, খুন, ধর্ষণের মতো উস্কানিমূলক উক্তিগুলোকে লঘু করে দেখলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি আরও জানান, " তাপস ভুল করেছে। তবে তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে সংবাদমাধ্যম"। তৃণমূলের এই বৈঠকে তাপস পাল নিয়ে কী সিদ্ধান্ত নেবে, তাকিয়ে ছিল সারা দেশ। তৃণমূল সাংসদের অশালীন বক্তব্য নিয়ে দেশ জুড়ে যে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছিল, 'ক্ষমা' চেয়েই বিতর্কের অবসান ঘটাতে চাইল তৃণমূল দল।
First Published: Wednesday, July 02, 2014, 18:00

আইন বলছে তাপস পালকে গ্রেফতার করা যেতে পারে

তাপস পালের মন্তব্য ঘিরে দেশজুড়ে বির্তকের ঝড়। কদর্য, কুত্‍সিত মন্তব্য খোলা মঞ্চ থেকে। খুন থেকে ধর্ষণ বাদ যায়নি কোনওটাই। একজন সাংসদ কী খোলামঞ্চ থেকে এমন প্ররোচনা মূলক মন্তব্য করতে পারেন? প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধীরা। পুলিসের কী এক্ষেত্রে কোনও ভূমিকা নেই? আইনজীবীরা বলছেন এই ধরনের ঘটনায় পুলিস স্বতঃপ্রনোদিত মামলা করতে পারে। ভারতীয় দন্ডবিধির ১১৫ পুলিস আইনের ২৩ ধারায় ব্যবস্থা নিতে পারে প্রশাসন

প্রশাসনের সাফাই তাপস পালের বিরুদ্ধে থানায় কোনও অভিযোগ দায়ের না হওয়ায় তারাও ব্যবস্থা নিতে পারেনি। তৃণমূল সাংসদকে ঘিরে প্রশাসন এই যুক্তি সামনে আনলেও বিগত কয়েকবছরের ঘটনা কিন্তু অন্য কথা বলছে। সামনে এসেছে পুলিসের অতিসক্রিয়তা। যদিও তা ছিল শাসকদলের পক্ষে। পশ্চিম মেদিনীপুরের শিলাদিত্য চৌধুরী মুখ্যমন্ত্রীর সভায় সারের দাম জিজ্ঞাসা করায় পড়েছিল মাওবাদী তকমা। পুলিস স্বতঃপ্রণোদিতভাবে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা রুজু করে। কার্টুন কান্ডে অম্বিকেশ মহাপাত্রের ক্ষেত্রেও পুলিসের অতিসক্রিয়তার নজির সামনে এসেছে। অধ্যাপক অম্বিকেশ মহাপাত্রের স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করে পুলিস। হাজতবাসও করতে হয় অধ্যাপককে। কিন্তু তাপস পালের ক্ষেত্রে আশ্চর্যজনক ভাবে নীরব,নিষ্ক্রিয় পুলিস।

তাপস পালের মন্তব্যের পর ব্যবস্থা নিতে পারত পুলিস। কিন্তু তা নেওয়া হয়নি। উল্টে রাজ্যের পুলিসমন্ত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বললেন, তাপস পালকে কি তিনি মেরে ফেলবেন? কিন্তু সত্যিই কি কিছু করার ছিল না পুলিসের। বিশেষজ্ঞরা অবশ্য বলছেন, স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করে তাপস পালকে গ্রেফতার করতে পারত পুলিস।

মঙ্গলবার পরিষদীয় মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় বিধানসবায় জানিয়েছিলেন, তাপস পালের বক্তব্যে গভীরভাবে মর্মাহত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলের তরফ থেকে পরে মুকুল রায় জানিয়ে দেন, গোটা ঘটনায় অত্যন্ত অনুতপ্ত তাপস পাল চিঠি দিয়ে ক্ষমা চেয়েছেন।

প্রশ্ন উঠতে শুরু করে এ ধরনের মন্তব্যের পর ক্ষমতা প্রার্থনা করে চিঠিই কী যথেষ্ট? এমন জঘন্য মন্তব্যের পরও তাপস পালের বিরুদ্ধে পুলিস বা সরকার কোনও আইনানুগ ব্যবস্থাই নেবে না? সরকার যে সে পথেই হাঁটতে চলেছে তা স্পষ্ট হয়ে যায় রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যে।

মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য আগুনে আরও ঘি ঢেলে দিল। পুলিস যদি তাপস পালের বিরুদ্ধে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা শুরু করতো, তাহলে মুখ্যমন্ত্রীকে তাঁর দলের সাংসদকে মেরে ফেলার মত অলিক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলতে হোত না। কী করতে পারতো পুলিস? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অভিযুক্ত সাংসদের বিরুদ্ধে এই ধরনের মন্তব্যের জন্য পুলিসের হাতে দু-দুটো হাতিয়ার রয়েছে।

**পুলিস আইনের ২৩ নম্বর ধারা এবং ভারতীয় দণ্ডবিধির ১১৫ নম্বর ধারা অনুযায়ী তাপস পালের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা শুরু করা যেত।

**পুলিস আইনের ২৩ নম্বর ধারা বলছে-- ""অপরাধ এড়াতে সাধারণ মানুষের শান্তিকে বিঘ্নিত করছে এমন তথ্য সংগ্রহ করা এবং উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো পুলিসের অবশ্য পালনীয় কর্তব্য""

অর্থাত্ এই আইনের জোরে এফআইআরের জন্য বসে না থেকে, পুলিস ব্যবস্থা নিতে পারে। কিন্তু এক্ষেত্রে নদিয়ার পুলিস সুপার তা করেননি। প্রশ্ন উঠছে, জনগণের শান্তির প্রশ্ন জড়িত থাকলেও তাপস পালের বক্তব্যের সিডি উর্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে কি পাঠিয়েছে পুলিস?

ভারতীয় দণ্ডবিধির ১১৫ নম্বর ধারা অনুযায়ী, সরাসরি কেউ কোনও অপরাধ না করলেও যদি অপরাধের প্ররোচনা বা উস্কানি দেন, কোনও রকম অভিযোগ ছাড়াই তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে পুলিস।

তাপস পালের বিরুদ্ধে এই আইন অনুযায়ীও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাপস পালের বিরুদ্ধে তাঁর দল কী ব্যবস্থা নিচ্ছে, তা পরের কথা। কিন্তু তার থেকেও গুরুত্বপূর্ণ এ ব্যাপারে প্রশাসনের নিরপেক্ষ ভূমিকা। শিরোনামে আসার দুদিন পরও তাপস পালের বিরুদ্ধে কেন পুলিস নীরব, সে প্রশ্নের উত্তরের দায়টা কিন্তু চাপছে রাজ্যের পুলিসমন্ত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রীর ওপরই। এক্তিয়ারে থাকলেও তাপস পালের বিরুদ্ধে সত্বঃপ্রনোদিত ব্যাবস্থা নিচ্ছে না পুলিস। যুক্তি, তাপস পালের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ দায়ের হয়নি। তবে অতীত বলছে অন্য কথা। অম্বিকেশ মহাপাত্র থেকে শিলাদিত্য চৌধুরী। পুলিসের অতিসক্রিয়তার শিকার হয়েছেন তাঁদের মতো অনেকেই।

First Published: Wednesday, July 02, 2014, 15:46



City of joy becomes Venice of slums and all lost rivers return with venom.Venom spills over waterlogged Bengal as crimes have been institutionalised under political system  and multi headed civil society engaged in butter slices!

It is Monsoon in the eastern part of the country. Monsoon minus weddings.Monsoon without honeymoon.Rain poems evokes no more romance in the city of joy.It is hell lose all over metro life without drainage,withot drinking water,without shelter for the footpathdwellers and slumdogs,without daily wage,without food,without transport,without connectivity.Anyone may get into open drains.Anyone mey get electricuted.

You may not hope any respite at all in an anarchy as  West Bengal is likely to experience heavy rainfall over the next two days, Met officials said Wednesday.

Officials at the Alipur Met Office here said most districts of the state will witness moderate to heavy rains while southern parts of Bengal will receive the maximum rain from Wednesday to Friday.

Wind will be "generally light" and Thursday night is forecast to be the wettest.

Several areas of the eastern metropolis were Tuesday night water-logged following a downpour, causing traffic snarls.

No one seems to be interested in public affairs.Everyone seems to be vendors of venom which is the most popular fast food in Bengal nowadays.Media stopped to address social realities long before.Since long paid news ringmasters rule all sources of information.It is omnipotent mind control.

It seems we have have landed into Europe of middle ages where all kinds of knights are engaged in violent fight and peasantry in destroyed by religion and politics as well.It is the dark age minus peasant insurrection.

Reforms means genocide.What Europe and Americas witnessed during original globalisations,we have to suffer in twenty first century without any resistance.All kinds of pirates have taken over in every sphere of life.Nature is raped as Raped is humanity.

Bengal is famous for its rivers.Undivided Bengal have been a nation of rivers as Punjab has been.We lost most of rivers in the Himalayan blunder of partition and now,it seems all those lost revers do return with venom.

Bengaliesboast to bring out change.Bengalies talk most about revolution.But the spineless nationality is only engaged in Hilsa parties these days.They seem not to be interested in anything other than the spicy Hilsa.

The city of procession is devoid of processions.We have to witness the procession of death only.

The crusade declared has become monsoon nostalgia as every law of the land is being manipulated to strengthen corporate promoter builder baniya raj.It is political consensus for mass destruction as the elites in Europe behaved during popular uprising everytime.

Bengalies are the other offsprings of British heritage.The Raj continues.The colonial hangover is not lost at all.Tagore loved to see Kolkata in Kolkata.He wrote,Kolkata aachhe Kolkatatei!

But the people and the politicians want to make a London of Kolkata which is now a virtual Venice of slums in Monsoon days.

It is monsoon and a monsoon full of venom.

Just see!

Breaking her silence, West Bengal chief minister Mamata Banerjee on Tuesday described party MP Tapas Pal's hate speech as a "big blunder", but then wondered if she should "kill him" for this and said whatever steps are needed to be taken have been taken.

Well understood,Trinamool Congress will not take any action against its MP Tapas Pal, who had threatened to 'kill and rape' his political opponents.

The party on Wednesday said it has accepted the unconditional apology tendered by Tapas Pal.

"The party has accepted Tapas Pal's apology as it was in the right spirit," TMC leader Derek O'Brien told reporters in New Delhi.

Meanwhile, a PIL was filed before the Calcutta high court on Wednesday seeking suo motu registration of FIR by the West Bengal Police and penal action against Tapas Pal.

Samit Sanyal, a lawyer, filed the petition before the high court, praying that the state police take suo motu action and register an FIR against Pal, who has tendered a written apology to his party and the media for his remarks.

Trinamool MP Tapas Pal with his wife

He prayed that the court take cognizance of the MP's comments and direct the West Bengal government to take action against Pal, senior counsel Subrata Mukhopadhyay, who would represent Sanyal in court, said.

It was also prayed before the court that as Pal has said in his letter of apology that the incident occurred during the campaign for the 2014 Lok Sabha election, the Election Commission be asked to take action against him, who was re-elected from Krishnagar seat.

"Some remarks made by me in the heat and dust of the election campaign have caused dismay and consternation. I apologize unreservedly for them," Pal said in the letter circulated on Tuesday.

Pal tendered an unconditional apology for his threat to kill CPM workers and unleash "his boys" to rape their women after he was asked by an embarrassed party leadership to do so following widespread outrage.

"It is not just a mistake, it's big blunder. We have taken whatever steps that are needed to be taken. It is an individual utterance. What do you want? Should I kill him? What can I do ? Whatever I can do we can do it through our policy", Banerjee, who was here in South 24-Paraganas district, told reporters.

She said that Pal, who was re-elected from the Krishnagar constituency in the recent Lok Sabha poll, had tendered an unconditional apology on her instruction.

"The CPM, Congress and some others had in the past said so many things. CPM had said so many things about me. I never saw you people (media) to protest against this. But here I will protest because I feel that it should not have been done," she said.

জল থইথই শহরে আজও চিন্তা বৃষ্টি

rain
কলকাতা ও বারাকপুর: মঙ্গলবার বিকেলের বৃষ্টি ফের প্রমাণ করে দিল শহরের নিকাশি ব্যবস্থার করুণ দশা৷ সোমবার শেষ রাতের বৃষ্টিতে জল জমেছিল শহরের বিভিন্ন প্রান্তে৷ এদিন বিকেলের দিকে জমা জল নামতে শুরু করেছিল সবে মাত্র৷ তাতেই হাঁফ ছেড়েছিলেন পুরসভার আধিকারিকরা৷ কিন্ত্ত কলকাতা পুরসভায় সেই স্বস্তির আবহ বেশিক্ষণ স্থায়ী হল না৷ কেনন, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ফের ভারী বর্ষণে মুখ থুবড়ে পড়ল শহর কলকাতার স্বাভাবিক জনজীবন৷ উত্তর থেকে দক্ষিণ শহরের বিভিন্ন রাস্তায় জমে যায় হাঁটু জল৷ জমা জলের কারণে উত্তর কলকাতার মালিকতলা, আমহার্স্ট স্ট্রিট-সহ বেশ কয়েকটি রাস্তায় যানবাহন চলাচলও বন্ধ হয়ে যায়৷ গভীর রাত পর্যন্ত পথের অচলাবস্থা চলে৷

আমহার্স্ট স্ট্রিট, ঠনিঠনিয়া কালিবাড়ি এলাকার বিভিন্ন জায়গায় অবশ্য গতকাল শেষ রাতের বৃষ্টিতেই হাঁটু জল জমেছিল৷ এদিন বিকেল পর্যন্ত সেই জল নামেনি৷ এর উপর এদিন সন্ধ্যায় নতুন করে ব্যাপক বৃষ্টি হওয়ায় পরিস্থিতি আরও দুর্বিষহ হয়ে ওঠে৷ গোদের উপর বিষফোড়ার মতো বালিগঞ্জে পাম্পিং স্টেশনে সন্ধ্যা ছ'টা থেকে প্রায় দেড় ঘণ্টা বিদূত্‍ সংযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল না৷ তার জেরে দক্ষিণ কলকাতার বিস্তীর্ন এলাকায় জমা জল নিষ্কাষণের কোনও উপায় ছিল না৷ যদিও সিএসসি কর্তৃপক্ষের দাবি, মাত্র পঁচিশ মিনিট বালিগঞ্জ পাম্পিং স্টেশনে বিদূত্‍ সংযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল৷ বালিগঞ্জ স্টেশনের কাছে রেল লাইনের উপর জল উঠে যায়৷ পরিস্থিতি সামাল দিতে রাতেই তড়িঘড়ি মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায় ছুটে যান পুরসভার কন্ট্রোল রুমে৷ কলকাতা পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, সন্ধ্যার বৃষ্টির পর গোড়ালি জল জমে নিউ সিআইটি রোড, এমজি রোড, আমির আলি অ্যাভিনিউর উপর মর্ডান স্কুলের সামনের রাস্তা, স্ট্যান্ড রোডের উপর সেন্ট্রাল স্কুল সংলগ্ন এলাকা, গাঙ্গুলিপুকুর এলাকা, ডায়মন্ড হারবার রোডের বেশ কিছু জায়গায়৷ প্রায় হাঁটু জল জমে গোখেল রোডে৷ বালিগঞ্জের বেশ কয়েকটি এলাকায় বাড়ির ভিতরেও জল ঢুকে যায়৷ এমনকী মেয়রের এলাকা বেহালার বিস্তীর্ণ এলাকাতেও হাঁটু জল জমে৷ এদিকে, সোমবার রাতভর বৃষ্টি হয়েছে উত্তর ২৪ পরগনার ব্যারাকপুর এবং সংলগ্ন অঞ্চলে৷ তাতে হাঁটু জল জমে যায়, পানিহাটি, কামারহাটি, খড়দা, বরানগর পুরসভার বিস্তীর্ণ এলাকায়৷ এর জেরে ওই সব এলাকাকেও দিনভর যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে৷ বহু জায়গায় জল জমে আছে৷

সোম এবং মঙ্গলবারের বৃষ্টির ভোগান্তি থেকে রেহাই পাননি বিধায়করাও৷ সোমবারের শেষ রাতের বৃষ্টিতেই কিডস স্ট্রিটের এমএলএ হোস্টেলের ভিতরে করিডরে জল জমে যায়৷ শুধু তাই নয়, এদিন সকালে বিধাকরা লক্ষ্য করেন হোস্টেলের ক্যান্টিনের ভিতরেও গোড়ালি পর্যন্ত জল৷ প্রতিবাদে এদিন সকালেই আবাসনের বাইরের গেটে বিক্ষোভ দেখান বিধায়করা৷ পরে বিধানসভা অধিবেশনের মাঝখানে বিষয়টি নিয়ে তাঁরা অভিযোগ জানান বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে৷ যদিও তাতে কাজের কাজ কিছু হয়েনি বলে অভিযোগ করেছেন বাম বিধায়করা৷ কেশপুরের সিপিএম বিধায়ক রামেশ্বর দলুই এই প্রসঙে বলেন, 'পুরসভা দোষ চাপাচ্ছে পূর্ত দপ্তরের উপর৷ আর পূর্ত দপ্তর দায়ে চাপাচ্ছে পুরসভার উপর৷ মাঝখান থেকে কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না৷ বিধায়ক আবাসনের ক্যান্টিনের দোরগোড়াতেও জল জমে গিয়েছে৷ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ফের তুমুল বৃষ্টি হওয়ায় জমা জলের পরিমাণ আরও বেড়ে গিয়েছে৷'

আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, এদিন সন্ধ্যায় সব থেকে বেশি বৃষ্টি হয়েছে উল্টোডাঙা চত্বরে৷ এদিন সকালে অবূশ্য দক্ষিণ কলকাতার থেকেও উত্তরে বেশি বৃষ্ঠি হয়েছে৷ তবে এদিন রাতের বৃষ্টি নিরিখে মধ্য এবং দক্ষিণ কলকাতা ছাপিয়ে গিয়েছে দক্ষিণকে৷ কিন্ত্ত এদিনের বৃষ্টি স্বাভাবিকভাবেই ফের কিছু প্রশ্ন উস্কে দিল৷ বর্ষা আসার মুখে একদিনের বৃষ্টিতেই যদি পুরসভার নিকাষি ব্যবস্থা এইভাবে বেআব্রু হয়ে পড়ে, তবে আগামীদিনে টানা বৃষ্টিতে পুরসভা পরিস্থিতি সামাল দেবে কীভাবে? কলকাতা পুরসভার মেয়র শোভন চেট্টোপাধ্যায় বলেন, 'সন্ধ্যার পর থেকে শহরে প্রবল বৃষ্টি হওয়ায় কিছু এলাকায় জল দাঁড়িয়ে যায়৷ পুরকর্মীরা যুদ্ধকালীন তত্‍পরতায় জল নামানোর চেষ্টা করছেন৷ প্রতিটি পাম্পিং স্টেশন যথাযথ কাজ করছে৷ কন্ট্রোলরুম থেকে প্রতিনিয়ত ঘটনার উপর নজর রাখা হচ্ছে৷ আমিও অফিসারদের কাছ থেকে ঘণ্টায় ঘণ্টায় খোঁজ-খবর নিচ্ছি৷'


Centre seeks report from West Bengal government on Tapas Pal’s comments

The Centre today sought a report from the West Bengal government over controversial comments of Trinamool Congress MP Tapas Pal who allegedly threatened to kill CPI(M) workers and have their women raped. ”We have sought a report from the West Bengal government on the comments of the MP. We have asked them to give complete information about his speech, where it was made, how many people were present and its repercussions,” a Home Ministry official said.
We are expecting the detailed report within a day or two, he added. The controversial comment had triggered an uproar and sparked condemnation by opposition parties with CPI-M demanding the Lok Sabha Speaker to take suo motu cognisance of Pal’s outburst and disqualify him. TMC MP’s wife Nandini today apologised for her husband’s controversial comment and said there was another part of the story.
Trinamool Congress leadership today asked the MP to tender an unconditional apology for his comments. After which Pal tendered an unconditional apology saying that in making such comments he has let down his constituents and the people of Bengal. The video footage aired on television yesterday showed, Pal threatening to kill CPI-M workers and deploy his boys to rape their women folk, if a single Trinamool worker was attacked in his constituency.

কী বলেছেন তাপস?
গত ১৫ জুন নিজের নির্বাচনী কেন্দ্র কৃষ্ণনগরের অন্তর্গত নাকাশিপাড়ার হরনগর গ্রামে নিহত তৃণমূল কর্মী আসাদুল মণ্ডলের স্মরণসভায় যোগ দিতে যান তিনি। ম্যাটাডরে চেপে সেই সভায় আসার পথে দুর্ঘটনায় আহত হন নাকাশিপাড়ার শেষ সীমানা চৌমাহা গ্রামের কয়েক জন তৃণমূল কর্মী-সমর্থক। তাই শুনে স্মরণসভা থেকে সটান চৌমাহা গ্রামে চলে যান তাপস। সেখানে উত্তেজিতভাবে তিনি বলেন, ‘আমি প্রচুর মস্তানি করেছি। একটা কেউ বিরোধী যদি মস্তানি করতে আসে, আমাদের ছেলেদের ঢুকিয়ে রেপ করে দেব! এই তাপস পাল ছেড়ে কথা বলবে না। তাপস পাল নিজের রিভলভার বের করে গুলি করে মারবে!’ মোবাইল ফোনের ক্যামেরায় তোলা তাপস পালের এই বক্তব্য সোমবারই সংবাদ মাধ্যমের হাতে এসেছে। আর তার পরেই প্রশ্ন উঠেছে, কেন গ্রেফতার করা হবে না এই তৃণমূল সাংসদকে? কেউ এফআইআর করেননি বলেই পুলিশ ব্যবস্থা নিতে পারছে না, প্রশাসনের কর্তার এমন দাবি উড়িয়ে আইনজীবীরা বলছেন, এ ক্ষেত্রে পুলিশ নিজের থেকেই ব্যবস্থা নিতে পারে। আইন তাকে সেই ক্ষমতা দিয়েছে। আর বিরোধী রাজনীতিকরা বলছেন, এসব ক্ষেত্রে পুলিশ গ্রেফতার করবে কি না, তা নির্ভর করে প্রশাসনের নিরপেক্ষতার উপরে। তৃণমূল জমানায় যা অবলুপ্তপ্রায়। শাসক দলের মর্জি মেনেই পুলিশ ওঠাবসা করে বলে প্রকাশ্যে হুমকি দিয়েও অধরা থেকে যান অনুব্রত, মনিরুল, তাপস পালেরা। আত্মসমর্পণ করেই বিনা বাধায় জামিন পেয়ে যান দীপালি সাহার মতো বিধায়ক। দিনের পর দিন ফেরার থাকেন উষারানি মণ্ডল। অন্য দিকে মিথ্যে মামলায় তড়িঘড়ি গ্রেফতার করা হয় বিরোধী দলের বিমল ভাণ্ডারীকে। মাঝ রাতে তলবের নোটিস পাঠানো হয় প্রাক্তন মন্ত্রী গৌতম দেবের বাড়ি। কোনও অভিযোগ না থাকা সত্ত্বেও সরকারের বিভিন্ন কাজের সমালোচক নাট্যকর্মী সুমন মুখোপাধ্যায়কে বার বার ডেকে পাঠায় পুলিশ। এক টানা ২৩ ঘণ্টা বসিয়ে রাখে থানায়। নিরপেক্ষ অবস্থান নিলে তাপসের ক্ষেত্রে কী করা উচিত ছিল পুলিশের?
প্রাক্তন বিচারপতি ভগবতীপ্রসাদ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতে, ‘সাংসদ যা বলেছেন তা প্রকাশ্যে হুমকি দেয়া এবং আতঙ্ক ছড়ানো। এ ক্ষেত্রে পুলিশ তাঁকে অবিলম্বে গ্রেফতার করতে পারে। দেশের আইনের শাসনকে তিনি যে ভাবে পদদলিত করলেন, তাতে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে গণতন্ত্রের কোনও অর্থ থাকবে না।’
ভগবতীপ্রসাদ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য সমর্থন করেছেন কংগ্রেসের আইনজীবী নেতা অরুণাভ ঘোষ। তিনি বলেন, ‘কেউ যদি এমন কোনও মন্তব্য বা কাজ করেন যাতে আইনশৃঙ্খলা বিঘিœত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, তা হলে পুলিশ আইনের ২৩ নম্বর ধারা প্রয়োগ করে তাঁকে স্বতঃপ্রণোদিতভাবে গ্রেফতার করার অধিকার পুলিশের আছে। এ ক্ষেত্রে ওয়ারেন্ট জারি করারও প্রয়োজন হয় না।’ পুলিশ এবং প্রশাসন কিন্তু এ প্রসঙ্গে নীরব। তাপস-কাণ্ড নিয়ে মন্তব্য করতে চাননি মুখ্যসচিব সঞ্জয় মিত্র। স্বরাষ্ট্রসচিব বাসুদেব বন্দ্যোপাধ্যায়ও মন্তব্য এড়িয়ে গিয়েছেন।

তৃণমূল কী বলছে?
তৃণমূলের জাতীয় মুখপাত্র ডেরেক ও’ব্রায়েনের জবাব, ‘এই রকম অসংবেদনশীল মন্তব্য আমাদের দল কখনওই অনুমোদন করে না। স্বাভাবিক ন্যায়বিচারের নীতি অনুযায়ী যে কোনও ব্যক্তিকেই আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিতে হবে। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সাংসদকেও লিখিতভাবে জবাবদিহি করতে হবে। এর বেশি কিছু বলতে পারব না।’
তাপস পালের স্ত্রীর ক্ষমা প্রার্থনা
এদিকে তৃণমূল এমপি তাপক পালের স্ত্রী তার স্বামীর অশালীন মন্তব্যের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। তাপক পালের ওই বিতর্কিত মন্তব্যের একদিন পর তার স্ত্রী নন্দিনী পাল বলেন, এ কাহিনীর আরেকটি অধ্যায় রয়েছে। তাপক পালের স্ত্রী বলেন, তাঁর মন্তব্যের জন্য আমি ক্ষমা চাইছি। তিনি বলেন, এই মন্তব্য সমর্থন করার কোন প্রশ্নই আসে না। নন্দিনী বলেন, তার পক্ষ থেকে আমি দুঃখ প্রকাশ করছি। -আজকাল, টাইমস অব ইন্ডিয়া, টেলিগ্রাম অনলাইন

‘চক্রান্ত’-তত্ত্বে নিষ্কৃতি তাপসের


এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: অবশেষে মিলল রেহাই। তাপস পালের পাশেই দাঁড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ তাপস পালের শাস্তি নিয়ে তৃণমূলের বৈঠকে কার্যত তাপসের শাস্তি নিয়ে কোনও আলোচনাই হল না। দলের কোনও নেতা এ নিয়ে কোনও কথা বলেননি দলনেত্রীর সামনে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, 'ও ভুল স্বীকার করে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়ে নিয়েছে। এটা তাপসের বিরুদ্ধে মিডিয়ার ষড়যন্ত্র।'

অন্য দিকে, যাঁর 'বিচার'-এর জন্য এই সভা ডাকা হয়েছিল তিনি নিজেই সেখানে অনুপস্থিত ছিলেন। এ দিন সভায় তাপস পাল এলেনই না! যদিও এমনটা এই প্রথম নয়। এর আগেও বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল, লাভপুরের বিধায়ক মণিরুল ইসলাম, ভাঙরের নেতা আরাবুলের বিরুদ্ধেও তেমন কোনও ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়নি। ঘটনার স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে খুন বা ধর্ষণ করানোর হুমকি দেওয়ার পর নিঃশর্ত ক্ষমা চাইলেই কি পার পাওয়া যায়? সাংসদ পদে থাকা এক জন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব তাঁর বক্তব্যের মধ্যে এ ধরনের প্ররোচনামূলক মন্তব্য করলে দল তাঁর বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থাই নেবে না?

সভায় মুখ্যমন্ত্রী দলের সমস্ত সাংসদ, বিধায়ক ও নেতাদের জানিয়েছেন, এর পর থেকে মিডিয়ার সামনে কোনও রকম মন্তব্য করার আগে অবশ্যই জিজ্ঞাসা করে নিতে হবে।

`তাপ-উত্তাপে` উত্তেজিত তাপস পালের `নিঃশর্ত ক্ষমা`য় প্রশ্ন উঠছে পুলিস-প্রশাসনে নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে

তাপস পালের কদর্য মন্তব্য ঘিরে দেশজুড়ে সমালোচনার ঝড়। অথচ পুলিস ও প্রশাসন এখনও নিষ্ক্রিয়। প্রবল সমালোচনার চাপে শেষ পর্যন্ত মুখ খুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু তাপস পালের শাস্তি নিয়ে কোনও স্পষ্ট কথা তিনি শোনাননি। প্রশাসন ও দলের এই দায়সারা মনোভাব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে চব্বিশ ঘণ্টা।

প্রথম প্রশ্ন..শুধুমাত্র ক্ষমা চেয়েই ছাড় পেয়ে যাবেন তাপস পাল? কেন তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করা হবে না। কি করছে দল?

দ্বিতীয় প্রশ্ন..তাপস পালের বিরুদ্ধে কেন কোনও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। কেন গ্রেফতার করা হয়নি তৃণমূলের সাংসদকে। যদিও আইন বিশেষজ্ঞরা কিন্তু স্পষ্টই বলছেন, গ্রেফতার করা যেতে পারে তাপস পালকে।

তৃতীয় প্রশ্ন...তাপস পাল। যাঁকে নিয়ে এত চর্চা। এই তাপস পাল কি বাংলার মুখ? বাংলার মানুষ কি এই তাপস পালকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছিলেন?

শেষ প্রশ্ন...এরপরেও কি তাপস পালের সাংসদ পদে থাকা উচিত্‍?

এক মাসের বেশি হল নির্বাচন শেষ হয়ে গেছে। তবুও নির্বাচনের `তাপ-উত্তাপ` কাটেনি তৃণমূল সাংসদ তাপস পালের মাথা থেকে। সত্যিই এরই জেরে কি সাংসদের এমন অশালীন মন্তব্য! কী বলছেন সমাজের বিভিন্ন স্তরের ব্যক্তিরা।

একজন জনপ্রতিনিধি হয়ে প্রকাশ্যে এধরণের কদর্য এবং কুরুচিকর মন্তব্য করে জঘন্য অপরাধ করেছেন তাপস পাল। তারজন্য তাঁর শাস্তি হওয়া উচিত্‍। মঙ্গলবার রাতে চব্বিশ ঘণ্টার আপনার রায় অনুষ্ঠানে একথা বলেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি সমরেশ ব্যানার্জি। তাঁর দাবি, সাংসদ হলেও এক্ষেত্রে তাপস পালের ছাড় পাওয়া উচিত্‍ নয়। বরং তাঁর বিরুদ্ধে অবিলম্বে তদন্ত হওয়া দরকার বলে মনে করেন সমরেশ ব্যানার্জি।

নদিয়ার চৌমাহা গ্রামে তৃণমূল সাংসদ তাপস পালের কুরুচিকর মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে বিজেপি নেতা শমিক ভট্টচার্যের বক্তব্য, এই জিনিস চলবে এবং ধারাবাহিকভাবে চলছে। চব্বিশ ঘণ্টার আপনার রায় অনুষ্ঠানে তিনি অভিযোগ করেন, তাপস পালের এই জঘন্য মন্তব্য তৃণমূলের রাজনৈতিক মতাদর্শের প্রতিফলন।

নদিয়ার চৌমাহা গ্রামে কুরুচিকর ও প্ররোচনামূলক মন্তব্যের জন্য চিঠি লিখে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন তাপস পাল। কিন্তু ক্ষমা চাইলেই যে এই পরম্পরা থামবে, এমনটা মনে করেন না অধ্যাপিকা শম্পা সেন। তাঁর মতে এ ধরণের প্রবণতা ক্রমশ বাড়ছে, বাড়তেই থাকবে। তাই মঙ্গলবার চব্বিশ ঘণ্টার আপনার রায় অনুষ্ঠানে তাপস পালের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

তাপস পালের এধরনের কুরুচিকর মন্তব্যে হতবাক অভিনেত্রী শ্রীলা মজুমদার। মঙ্গলবার চব্বিশ ঘণ্টার আপনার রায় অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, কিভাবে একজন শিল্পী হয়ে তাপস পাল প্রকাশ্যে এত জঘন্য ও কুতসিত ভাষা ব্যবহার করলেন, তা তিনি ভেবে পাচ্ছেন না।

প্রকাশ্যে কুরুচিকর মন্তব্যের জন্য নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন তৃণমূলের সাংসদ তাপস পাল। কিন্তু তাঁর ওই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে ক্ষমার কোনও প্রশ্ন নেই। এমনটাই মনে করেন সাহিত্যিক স্বপ্নময় চক্রবর্তী। তাপস পালের বিকৃত মন্তব্যের জেরে আজ দেশজুড়ে বাঙালিদের মাথা হেঁট হয়ে গেছে। মঙ্গলবার চব্বিশ ঘণ্টার আপনার রায় অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

First Published: Wednesday, July 02, 2014, 10:30


তাপসের অমৃতবচনে চন্দননগর স্তম্ভিত, পাশে নেই চৌমাহাও

Jul 2, 2014, 02.57PM IST

tapas
প্রদীপ চক্রবর্তী ও গৌতম ধোনি

চন্দননগর ও নাকাশিপাড়া: ছাত্রের এই অধঃপতন কিছুতেই মানতে পারছেন না তাপস পালের শিক্ষক পূর্ণচন্দ্র গোস্বামী৷ চন্দননগরের প্রবর্তক বিদ্যালয়ে তাপস পাল যখন পড়তেন, তখন পূর্ণবাবু ছিলেন সেই স্কুলের শিক্ষক৷ তৃণমূল সাংসদকে তিনি চেনেন সেই সময় থেকেই৷ ছাত্র তাপসের এমন কদর্য মন্তব্য নিয়ে মঙ্গলবার পূর্ণবাবু বলেন, 'নিজেকে 'চন্দননগরের মাল' বলে ও চন্দননগরের স্মৃতিকে আবর্জনায় পর্যায়ে নামিয়ে নিয়ে এল৷' শিক্ষক এবং ছাত্র, দুজনেই একই দলের সদস্য৷ পূর্ণবাবু ২০০৫ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত ছিলেন চন্দননগর পুর নিগমের কাউন্সিলর৷ তাঁর আক্ষেপ, শিক্ষক হিসাবে যে ধীরস্থির ছাত্রকে তিনি চিনতেন, তার স্থিরতা এখন অনেক কম৷ রাজনৈতিক প্রশ্রয়কেই এর জন্য দায়ী করেছেন পূর্ণবাবু৷

শুধু শিক্ষকই নন, ছেলেবেলার সেই 'মুখচোরা' ছেলের মুখে এমন বুলি শুনে মর্মাহত তাপসের বন্ধু, প্রতিবেশীরা৷ তাঁর প্রথম চলচ্চিত্র 'দাদার কীর্তি' মুক্তি পাওয়ার পরেও প্রায় বছর দশেক তাপস ছিলেন চন্দননগরেই৷ এখনও ধারাপাড়ায় রয়েছে তাঁদের পৈতৃক ভিটে৷ তাপসের প্রতিবেশী ব্রহ্ম ঘোষই হোন বা বন্ধু গোবিন্দ ঘোষ, সকলেরই বক্তব্য, 'ছেলেবেলায় ও ছিল অন্যরকম৷ কোনও দিনই কাউকে খারাপ কথা বলত না৷ মুখরা তো নয়ই বরং, খানিকটা মুখচোরাই ছিল৷' গোবিন্দবাবুর বক্তব্য, 'আমরাও তো রাজনীতি করতাম৷ কিন্ত্ত, এমন কথা ব্যবহার করিনি৷' পেশায় ব্যবসায়ী ও দীর্ঘদিন তাপসের সঙ্গে বিভিন্ন স্থানে গেছেন অঞ্জন দত্ত৷ এ দিন তিনিও বলেন, 'ওর এই আচরণে আমি স্তম্ভিত৷ বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছে যে ও এই কথা বলেছে৷'

সমাজসেবী সংস্থা চন্দননগর হেরিটেজ-এর কল্যাণ চক্রবর্তী বলেন, 'তাপস পালকে নিয়ে দারুণ গর্বিত ছিলেন কানাইলাল বিদ্যামন্দিরের শিক্ষক নীলমণি কুমার৷ বেঁচে থাকলে উনিও মর্মাহত হতেন৷ এই শহরের সংস্কৃতি, ঐতিহ্যকেই আঘাত করেছে ওঁর এই আচরণ৷' এ দিন বিজেপির হুগলি জেলা কমিটির তরফে মিছিল করা হয় চন্দননগরে৷ পোড়ানো হয় তাপসের কুশপুতুলও৷ সিপিএমের যুব সংগঠন ডিওয়াইএফআই-ও একটি বিক্ষোভ সভা করে শ্রীরামপুরে৷

তাপসের পাশে দাঁড়ায়নি নদিয়ার চৌমাহাও৷ ওই গ্রামে সে দিন সাংসদ ওই কথা বলে রীতিমতো হাততালি কুড়িয়েছিলেন৷ কিন্ত্ত, ঘটনাটি নিয়ে সমালোচনার ঝড় বয়ে যাওয়ার পর, এখন সে গ্রামের প্রায় কাউকেই প্রকাশ্যে পাশে পাচ্ছেন না এই সাংসদ৷ যদিও তাপস পালের অনুগামীরা এখন হন্যে হয়ে খুঁজছেন, কে বা কারা মোবাইলে এই ক্লিপিংস চালান করে দিল সংবাদ মাধ্যমের কাছে৷ জেলার তৃণমূলের কার্যকরী সভাপতি অজয় দে বলেন, বিষয়টি নিন্দনীয়৷ তবে, এ নিয়ে বিশদে যা বলার তা দলই বলবে৷

লোকসভা ভোটের দিন চৌমাহার যে বাড়ির অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকে মারধরের পরিপ্রেক্ষিতে তাপস পাল ওই কথা বলেছিলেন বলে অভিযোগ, এ দিন সেই বাড়ির কেউই মন্তব্য করতে রাজি হননি৷ বরং, স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, ওটা ছিল নিছক একটি পারিবারিক বিবাদ৷ নাকাশিপাড়ার চৌমাহা গ্রামটি বিক্রমপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত৷ গত পঞ্চায়েত এবং লোকসভা নির্বাচনে সেই বুথটি থেকে লিড পেয়েছে সিপিএম৷ পঞ্চায়েতটিও সিপিএমের দখলে৷ পঞ্চায়েতের সিপিএম সমর্থিত নির্দল উপ-প্রধান মিরন আলি শেখ বলেন, সে দিন তাপসবাবুর হুমকির পরে গ্রামের অনেকে ভয়ে ভয়ে ছিলেন৷ পঞ্চায়েতের সিপিএম প্রধান শেফালি সরকারের বক্তব্য, গ্রামের তৃণমূল কর্মীরাও সমর্থন করতে পারছেন না সাংসদের এই বক্তব্যকে৷
তাপস পালের মম্তব্য: নিন্দায় সরব বিশিষ্টরা

আজকালের প্রতিবেদন: তৃণমূল সাংসদ তাপস পালের কদর্য মম্তব্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সরব সমাজের বিশিষ্টরা৷‌ অনেকে তাঁর গ্রেপ্তারের দাবি তুলেছেন, ঘটনার নিন্দা করেছেন, ধিক্কার জানিয়েছেন৷‌ নারী নিগ্রহ বিরোধী নাগরিক কমিটি উদ্বেগ প্রকাশ করেছে৷‌ মঙ্গলবার সোচ্চার হয়েছেন কবি, সাহিত্যিক, শিক্ষাবিদ, নাট্যব্যক্তিত্ব, অভিনেতারা৷‌

শঙ্খ ঘোষ: রাজনীতি আজ কোন বর্বরতার জায়গায় পৌঁছেছে, এ সব তারই লজ্জাজনক নজির৷‌

নবনীতা দেবসেন: আপত্তিকর, লজ্জাকর, বিপজ্জনক৷‌ এখনই জেলে পোরা উচিত৷‌ জনপ্রতিনিধি প্ররোচনামূলক মম্তব্য করতে পারেন না৷‌ এই মম্তব্য গণতন্ত্রবিরোধী৷‌ পাগল, অপরাধী এমন কথা বলেন৷‌ তাঁর মুক্তভাবে ঘুরে বেড়ানো উচিত নয়৷‌ সাংসদ হওয়ার যোগ্যতা নেই, সবাই বুঝতে পারছেন৷‌ তাঁকে কী করা যায় বলুন তো? এগুলি জনগণের কথা নয়৷‌ ভয়ঙ্কর, অমানবিক মম্তব্য৷‌

সোহাগ সেন: ভাবতে পারি না এমন কথা কেউ বলবেন৷‌ ক্ষমতায় আছে বলে যা খুশি বলতে, করতে পারবেন? ঘেন্না করে, বেশ ঘেন্না করে৷‌ রাজ্যে নারী নির্যাতন হয়েই চলেছে৷‌ সব ধামাচাপা পড়ে যাচ্ছে৷‌ আস্তে আস্তে গা-সওয়া হয়ে যাচ্ছে৷‌ কী করে একজন ভদ্রলোক এ কথা বলেন! বড় অন্যায়৷‌

বিভাস চক্রবর্তী: এ সব কথা বেরোয় কী করে! রাজনীতিক হলে মানুষের মতো আচরণ করতে আটকায় কোথায় বুঝি না! জনপ্রতিনিধি হওয়ার কোনও যোগ্যতা তাঁর নেই৷‌ দলের উচিত নির্বাচনে তাঁকে প্রার্থী হিসেবে দাঁড় না করানো৷‌ যিনি প্রতিষ্ঠিত, মানুষ ভালবাসেন, তিনি এমন কথা বলতে পারেন?

কবীর সুমন: যাঁরা এমন মম্তব্য করেন, তৃণমূল তাঁদের আশ্রয় দেয়৷‌ বিশ্বাস করতে কষ্ট হয়৷‌ গা ঘিনঘিন করে৷‌

সুদীপ্তা চক্রবর্তী: কোনও পুরুষ এমন কথা বলতে পারেন কী করে! দুঃখ পেয়েছি অনেক বেশি৷‌ এই মম্তব্য মেনে নিতে পারি না৷‌ মহিলাদের জন্য অপমানকর৷‌ ক্ষমতা দেখানোর জন্য এমন কথা?

অনীক দত্ত: ধিক্কার৷‌ নিন্দনীয় ঘটনা৷‌ স্তম্ভিত করেছে৷‌ আইনি যে ব্যবস্হা, তা দেখার জন্য অপেক্ষা করছি৷‌ তাঁর সঙ্গে বার দুয়েক ফোনে কথা হয়েছে৷‌ কথা বলে ভাল লেগেছিল৷‌ কোনটা মুখ, কোনটা মুখোশ চিনি না৷‌ কী উত্তেজনার বশে মাথা গরম হতে পারে? সাংসদ থাকার অধিকার কোনওভাবেই নেই৷‌

বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য: আইন ভাঙতে মানুষকে উসকানি দেওয়ার জন্য তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্হা নেওয়া উচিত রাজ্য সরকার, পুলিসের৷‌

অপর্ণা সেন: আঘাত পেয়েছি৷‌ স্তম্ভিত৷‌ যে তাপস পালকে দীর্ঘ দিন চিনি, এ তিনি নন৷‌ রাজনীতিক আর অভিনেতা তাপস পালকে মেলাতে পারছি না৷‌ তাঁর সঙ্গে ছবিতে কাজ করেছি৷‌ মিষ্টি ছেলে, ভদ্র হিসেবে চিনতাম৷‌ তাঁকে পছন্দ করতাম৷‌ রাজনীতিতে গেলে মানুষ পাল্টে যায়? জানি না কীভাবে এটা হয়৷‌

দেবশ্রী রায়: মোটেই ঠিক নয়৷‌ আরও সংবেদনশীল, সংযত থাকা উচিত ছিল৷‌

চিরঞ্জিত: একদম ভাল লাগেনি৷‌ প্রথমে মনে হচ্ছিল সিনেমার সংলাপ বলছিলেন৷‌ অন্যরকমভাবে রাগ প্রকাশ করতে পারতেন৷‌

অম্বিকেশ মহাপাত্র: নিন্দা করছি৷‌ নারী নির্যাতন হচ্ছে, মহিলারা আতঙ্কিত৷‌ এই মম্তব্য করা উচিত নয়৷‌

শাশ্বতী ঘোষ: অপরাধের কাজে উৎসাহ দিচ্ছেন৷‌ অত্যম্ত দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা৷‌ দল প্রকাশ্যে তিরস্কার করুক৷‌

এদিন এক বিবৃতিতে নারী নিগ্রহ বিরোধী নাগরিক কমিটির পক্ষে অধ্যাপক তরুণ সান্যাল, বিভাস চক্রবর্তী, প্রতুল মুখোপাধ্যায়, শতরূপা সান্যাল, দিলীপ চক্রবর্তী এবং রূপশ্রী কাহালি ঘটনার নিন্দা করেছেন৷‌ এক বিবৃতিতে তাঁরা বলেছেন, তৃণমূলের একটি সভায় বিরোধী দলকে হুমকি দিয়ে সাংসদ, চলচ্চিত্র শিল্পী তাপস পাল যে ধরনের কথা বলেছেন, তা অত্যম্ত কুৎসিত এবং প্ররোচনামূলক৷‌ দেশে যখন হিংসাত্মক কার্যকলাপ ও ধর্ষণের মতো ঘটনা ঘটে চলেছে, তখন রাজনৈতিক নেতাদের এ ধরনের দায়িত্বজ্ঞানহীন ও অশালীন ভাষা প্রয়োগ করে হুমকি অত্যম্ত উদ্বেগজনক৷‌ একজন সাংসদ যদি এ ধরনের কথা বলতে পারেন, তবে মানুষের, বিশেষ করে মেয়েদের, নিরাপত্তা কোথায়? আমরা এর তীব্র নিন্দা করছি৷‌ এ জাতীয় ঘটনার যথাযথ তদম্ত ও অপরাধের শাস্তি হওয়া প্রয়োজন৷‌ আমরা আশা করি, প্রশাসন ও মহিলা কমিশন এ ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্হা নেবে৷‌

বাইরের লোক ঢুকলে বলি দিয়ে দিবি! অরূপ

আলোক সেন: বাঁকুড়া, ১ জুলাই– ‘তোদের ঘরে বাইরের লোক ঢুকলে, ঝামেলা করলে, হাত কেটে নিবি৷‌ বলি দিয়ে দিবি৷‌ তার পর আমি বুঝে নেব৷‌’ সোমবার বাঁকুড়া সদর থানার মুনিয়াডিহি গ্রামে দলীয় সমর্থক মহিলাদের কথাগুলি বলেন জেলা পরিষদের সভাধিপতি ও জেলা তৃণমূলের কো-চেয়ারম্যান অরূপ চক্রবর্তী৷‌ সমর্থক ও কর্মীদের প্রতি উস্কানিমূলক মম্তব্য করে ইতিপূর্বেই দলের অনুব্রত, মনিরুল, তাপস পালরা রাজ্য জুড়ে ধিক্কৃত হয়েছেন৷‌ এবার সেই সারিতে নাম লেখালেন অরূপবাবুও৷‌ ২৮ জুন মুনিয়াডিহি গ্রামে বি জে পি-র সঙ্গে তৃণমূলের একটি সঙঘর্ষের ঘটনা ঘটে৷‌ উভয় দলের ১২ জন আহত হন৷‌ এদিন সকাল ১১টা নাগাদ অরূপবাবু ওই গ্রামে গেলে দলীয় কর্মী ও সমর্থক, বিশেষ করে মহিলারা তাঁর কাছে নালিশ করেন, বি জে পি কর্মীদের পক্ষ থেকে তাঁদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে, ভয় দেখানো হচ্ছে৷‌ প্রত্যুক্তরে অরূপবাবু উপরোক্ত মম্তব্য করেন৷‌ এদিকে, তাঁর এই মম্তব্যে জেলার রাজনৈতিক মহলে সমালোচনার ঝড় উঠেছে৷‌ সি পি এম জেলা সম্পাদক ও রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য অমিয় পাত্র বলেন, অত্যম্ত আপত্তিকর কথা৷‌ রাজনীতিটাকে অসভ্যতা ও বর্বরতায় পর্যবসিত করা হচ্ছে৷‌ আর এটা হচ্ছে তৃণমূলের হাত ধরে৷‌ অবশ্য এই দলের নেতাদের কাছ থেকে এর বেশি কিছু আশা করা যায় না৷‌ কড়া সমালোচনা করেছেন বি জে পি-র রাজ্য কমিটির সহ-সভাপতি ডাঃ সুভাষ সরকার৷‌ তিনি বলেন, তৃণমূলের পায়ের তলা থেকে যত মাটি সরে যাচ্ছে, ততই ওদের নেতারা উদভ্রাম্ত হয়ে উঠছে৷‌ শালীনতা, সভ্যতাকে বিসর্জন দিয়ে ওরা বর্বর হয়ে উঠছে৷‌ সন্ত্রাসের পরিবেশ সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে৷‌ সভাধিপতির দায়িত্বে থেকে উনি মানুষকে আইন নিজেদের হাতে তুলে নিতে পরামর্শ দিয়েছেন৷‌ উনি তা পারেন না৷‌ তাই পুলিস ও প্রশাসনের কাছে দাবি জানাচ্ছি, অবিলম্বে ওর বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্হা নেওয়া হোক৷‌ ওর ওই পদে বসে থাকার আর অধিকার নেই৷‌ জেলা কংগ্রেস সভাপতি অরূপ ব্যানার্জি বলেন, ওর অনেক আগেই ইচ্ছা ছিল অনুব্রত মণ্ডলের পাশে বসার৷‌ এতদিনে সেই ইচ্ছেটি পূর্ণ করলেন৷‌ রাজ্য জুড়েই তৃণমূলের নেতারা ওই ধরনের প্ররোচনামূলক ও কুৎসিত মম্তব্য করে চলেছেন৷‌ এখন দেখা যাক, অরূপবাবুকে ওঁর নেত্রী পুরস্কার বাবদ আর কী কী পদ দেন৷‌

Crimes against women in Bengal have dipped: NCRB

The latest National Crime Records Bureau (NCRB) report that said incidents of crimes against women have dipped in West Bengal came as a respite for the state government facing flak over Trinamool Congress MP Tapas Paul's rape remarks.
According to the NCRB report for 2013, West Bengal, which topped the list in 2012 and made headlines for a spate of rapes recently, is now placed third with 29,826 reported cases last year.
The Trinamool Congress-ruled state is behind undivided Andhra Pradesh 32,809 and Uttar Pradesh 32,546.
According to the report, a total of 2,399 cases of crimes against women, including rape, abduction, dowry deaths and cruelty by husband or relatives, were reported from Kolkata last year.
Of the reported 1,685 rape cases in the state, 75 were from this eastern metropolis which has a female population of 67.93 lakh.
The rape cases have come down from 12.9 percent in 2012 to 5 percent, the report said, adding that a total of 158,239 people were arrested while 189,239 complaints were lodged.
Of the 18 incestual rape victims (committed by persons of blood relation), 50 percent were minors, the report said.
There were 3,830 cases of kidnapping, 6,930 reports of assault on women and 577 incidents of insult to modesty of women in the state.
The figures came at a time when the ruling party MP from Krishnanagar in Nadia district, Tapas Paul was caught on video tapes, threatening and warning CPI-M cadres to beware of him and that he would gun them down and unleash his men to rape their women.
দেশ জুড়ে নিন্দা, ক্ষোভ, তাপসের কীর্তির বিশদ রিপোর্ট চাইল কেন্দ্র

আজকালের প্রতিবেদন: দিল্লি, ১ জুলাই– তৃণমূল এম পি তাপস পালের হুমকির ঘটনার বিশদ রিপোর্ট চাইল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক৷‌ যেহেতু বিষয়টি মহিলাদের সম্ভ্রমহানির সঙ্গে জড়িত, তাই এ ব্যাপারে কেন্দ্রীয় সরকার স্বতঃপ্রণোদিত পদক্ষেপ করতে পারে৷‌ তাপস পাল সঠিক কী বলেছেন, কোথায় বলেছেন, কত লোক সেখানে ছিল, কেন্দ্র সব জানতে চেয়েছে রাজ্য সরকারের কাছে৷‌ জাতীয়স্তরে তীব্র প্রতিক্রিয়া হয়েছে তাপস পালের মম্তব্য নিয়ে৷‌ সরব নানা দল, মহিলা সংগঠন৷‌ জাতীয় মহিলা কমিশন আজ দাবি জানিয়েছে, তৃণমূল কংগ্রেস এম পি তাপস পালকে সংসদ থেকে বহিষ্কার করা হোক৷‌ তিনি মহিলাদের সম্পর্ক যে মম্তব্য করেছেন তা খুবই দুর্ভাগ্যজনক৷‌ জাতীয় মহিলা কমিশনের প্রধান মমতা শর্মা বলেন, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি কিছু স্পর্শকাতরতা দেখান এবং দলের এম পি-র বিরুদ্ধে ব্যবস্হা নিন৷‌ মমতা শর্মা এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হস্তক্ষেপ চান৷‌ তিনি বলেন, তাপস পাল যে ধরনের কথা বলেছেন, তা কখনও কোনও এম পি বলেননি৷‌ তিনি বিবৃতি দেননি, অপরাধ করেছেন৷‌ বহু রাজনৈতিক দল লোকসভার স্পিকারের কাছে আর্জি জানিয়েছে, যাতে তিনি স্বতঃপ্রণোদিতভাবে তাপস পালের বিরুদ্ধে ব্যবস্হা নেন৷‌ সি পি এম তাপস পালের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্হা নেওয়ার আর্জি জানিয়ে বলেছে, তারা সংসদেও বিষয়টি তুলবে৷‌ সি পি এম সম্পাদক প্রকাশ কারাত বলেন, পুলিসের অবিলম্বে ব্যবস্হা নেওয়া উচিত৷‌ সংসদেরও উচিত বিষয়টিকে স্বতঃপ্রণোদিতভাবে হাতে নেওয়া৷‌ তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গের সমস্যা হল, সি পি এম ও বিরোধীদের বিরুদ্ধে কোনও আক্রমণ বা হিংসার কিনারা হয় না৷‌ সি পি এম পলিটব্যুরো এক বিবৃতিতে বলেছে, তাপস পালের বিবৃতিই বুঝিয়ে দিচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের প্রকৃত পরিস্হিতি কী৷‌ সমস্ত মহিলা সংগঠন তাপস পালের বিবৃতির প্রতিবাদে রাস্তায় নামছে৷‌ মহিলা সংগঠনগুলি জাতীয় মহিলা কমিশনের কাছে স্মারকলিপি দিয়ে জানিয়েছে, লোকসভা অধিবেশনের প্রথম দিন তারা রাস্তায় নেমে তাপস পালকে সংসদ থেকে বহিষ্কারের দাবি তুলবে৷‌ ৭ জুলাই সংসদের বাইরে তারা একটি বিক্ষোভ সমাবেশ করবে৷‌ সি পি এম সাংসদ মহঃ সেলিম বলেন, গত তিন বছরে বিরোধীদের সন্ত্রস্ত করতে তৃণমূলের বহু নেতা এই ধরনের মম্তব্য করেছেন৷‌ তিনিও বলেন, লোকসভা স্পিকারের কাছে আর্জি, তিনি এর বিরুদ্ধে ব্যবস্হা নিন৷‌ বি জে পি নেতৃত্বর তরফ থেকে তাপস পালের নিন্দা করা হয়েছে৷‌ দলের সাংসদ বাবুল সুপ্রিয় বলেছেন, এই ধরনের মম্তব্য থেকে সাংসদদের বিরত থাকা উচিত৷‌ আজ বি জে পি-র সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি লক্ষ্মীকাম্ত চাওলা জলন্ধরে বলেছেন, তাপস পালকে জেলে পোরা উচিত৷‌ সি পি এম কর্মীদের তিনি খুনের হুমকি দিয়েছেন এবং বলেছেন তাদের মহিলাদের ধর্ষণ করাবেন৷‌ চাওলার দাবি, এই সাংসদকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করা হোক৷‌ এই ধরনের ব্যক্তির কোনও রাজনৈতিক দলে থাকার অধিকার নেই৷‌ চাওলা এই দাবি জানিয়েছেন লিখিতভাবে, খোদ তৃণমূল প্রধান ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিকে৷‌ মমতার কাছে লেখা চিঠিতেই চাওলা বলেছেন, তাপস পালের মতো ব্যক্তির কোনও দলের অংশ হওয়া উচিত নয়৷‌ আমাদের অনুরোধ, তাপস পালকে দল থেকে বহিষ্কার করে জেলে পাঠান৷‌ বিশেষ করে মমতা ব্যানার্জি একজন মহিলা বলেই মহিলাদের বিরুদ্ধে এই ধরনের বক্তব্যের জন্য তাপস পালের উপযুক্ত শাস্তি হওয়া উচিত৷‌ বি জে পি-র আরেক সহ-সভাপতি মুখতার আব্বাস নকভিও বলেছেন, তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রীর উচিত তাপস পালের বিরুদ্ধে ব্যবস্হা নেওয়া৷‌ তিনি বলেন, উদ্ধত আচরণ ছেড়ে তাপসের বিরুদ্ধে ব্যবস্হা নিন মমতা৷‌ মমতা যদি উদ্ধত আচরণ বজায় রাখেন তাহলে তাঁর দলের এম পি, এম এল এ-রাও তাই করবেন৷‌ এই ঘটনায় ক্ষমা চাওয়াও অর্থহীন৷‌ কারণ তাপস নারীজাতি ও সমাজকে অপমান করেছেন৷‌ পশ্চিমবঙ্গের শাসক দলের প্রশ্নে তিনি বলেন, লোকে অনেক আশা নিয়ে তৃণমূলকে ক্ষমতায় এনেছিল৷‌ কিন্তু সরকার হয়েছে নিষ্কর্মাদের৷‌ আইনের শাসন নেই৷‌ তৃণমূল হয়ে উঠেছে নকশালদের ঘাঁটি৷‌ নকশালরা তৃণমূলে বাড়ছে৷‌ নকশালরা এবং সি পি এমের কট্টরপম্হীরা তৃণমূলে যোগ দিয়েছে৷‌ প্রত্যেকদিন পশ্চিমবঙ্গের পরিস্হিতি খারাপ হচ্ছে৷‌

তাপস: সি পি এম, বি জে পি, কংগ্রেস…


ভোলানাথ ঘড়ই, অভিজিৎ বসাক

তৃণমূল সাংসদ তাপস পালের মম্তব্য নিয়ে রাজ্য জুড়ে নিন্দার ঝড়৷‌ কোথাও বিক্ষোভ, কোথাও কুশপুতুল পুড়িয়ে, মিছিল , পথসভা করে নিন্দা জানাল বিভিন্ন রাজনৈতিক দল৷‌ তাপস পালের এই কুরুচিকর মম্তব্য নিয়ে থানায় থানায় এফ আই আর দায়ের করল সি পি এম এবং বি জে পি৷‌ মুখ্যমন্ত্রীর বিবৃতি দাবি করল কংগ্রেস৷‌ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মহিলা সংগঠন, শ্রমিক সংগঠন, বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন রাস্তায় নেমে তাপস পালকে গ্রেপ্তারের দাবি তুলেছে৷‌ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এ বিষয়ে রিপোর্ট চেয়েছে রাজ্যের কাছে৷‌ জাতীয় মহিলা কমিশনও এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়েছে এবং বহিষ্কারের দাবি জানিয়েছে৷‌ জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে এ বিষয়ে অভিযোগ জানাল এ পি ডি আর৷‌ স্বামীর এই কুরুচিকর মম্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন তাপসের স্ত্রী নন্দিনী পাল৷‌ সি পি এম পলিটব্যুরো দাবি করেছে, অবিলম্বে এই সাংসদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা শুরু করুক পুলিস৷‌ সেই সঙ্গে সাংসদ পদ বাতিল করা হোক৷‌ রাজ্যের বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু এই কুরুচিকর মম্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেছেন৷‌ রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানিয়ে শাস্তির দাবি তুলেছে বি জে পি, কংগ্রেসের মহিলা সংগঠন, গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতি, ভারতের ছাত্র ফেডারেশন, সি পি আই (এম এল) লিবারেশন, তাদের মহিলা সংগঠন প্রগতিশীল মহিলা সমিতি-সহ একাধিক সংগঠন৷‌ বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা ডাঃ সূর্যকাম্ত মিশ্র জানিয়েছেন, সাংসদ তাপস পাল যা বলেছেন তা প্রকাশ্যে, বাস্তবে৷‌ এ কথা যদি তিনি কোনও ছায়াছবিতে ডায়ালগ হিসেবে বলতেন, সেন্সর বোর্ড আটকে দিত৷‌ আমরা রাজ্যের সমস্ত মহিলা-মা-বোনেদের কাছে আবেদন করছি এলাকায় এলাকায় বিক্ষোভ, প্রতিবাদ জানান৷‌ থানায় থানায় গণ-অভিযোগ জানান৷‌ কেন পুলিস সুয়োমোটো মামলা করে তাপস পালকে গ্রেপ্তার করবে না? সাংবাদিকেরা বলেন, তাপস পাল নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন৷‌ বিরোধী দলনেতা বলেন, এ তো জুতো মেরে গরুদান হল৷‌ ক্ষমা চাইলেই যদি সব মিটে যায় তাহলে তো তৃণমূল দলে ক্ষমা চাওয়ার লাইন পড়ে যাবে৷‌ আর সেই লাইনে সবার আগে থাকতে হবে ওদের দলের সুপ্রিমোকে৷‌ কারণ তাঁরই প্রশ্রয়ে এরা পাড়ায় পাড়ায় যা খুশি করে চলেছে৷‌ সূর্যকাম্ত বলেছেন, এই সাংসদ তো শুধু খারাপ কথা বলে ক্ষাম্ত হননি৷‌ খুন এবং ধর্ষণের হুমকি দিয়েছেন, যা আইনের চোখে অপরাধ৷‌ তাছাড়া মম্তব্য তো বন্ধ হচ্ছে না৷‌ আজই তো বাঁকুড়ায় ফের এক তৃণমূল নেতা এরকম মম্তব্য করেছেন৷‌ বিমান বসু সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, একজন সাংসদ, তিনি যে দলেরই হোন না কেন, বহু মানুষের ভোট পেয়ে তিনি জিতেছেন৷‌ তিনি বলছেন ‘আমি কলকাতার মাল নই, চন্দননগরের মাল৷‌’ মাল মানে তো জানি ‘জিনিস’৷‌ একজন সাংসদ কী করে জিনিস হয়ে গেলেন জানি না৷‌ তার মানে তৃণমূল কংগ্রেস কি এবার এরকম একগুচ্ছ জিনিস দিল্লিতে পাঠিয়েছে৷‌ টিভিতে দেখেছি, কীভাবে কথা বলেছেন এই সাংসদ৷‌ বাংলার একটা কৃষ্টি, সংস্কৃতি আছে৷‌ দিনে দিনে এই সংস্কৃতির ধারাবাহিকতা এগিয়েছে, পিছোয়নি৷‌ মা-মাটি-মানুষের নাম করে সেই সংস্কৃতির ধারাবাহিকতাকে এরা পিছিয়ে নিয়ে যাচ্ছে৷‌ সাংসদ যা করেছেন, তা ফৌজদারি অপরাধের মধ্যে পড়ে৷‌ পুলিস-প্রশাসনের উচিত স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করা ও তাঁকে গ্রেপ্তার করা৷‌ আমরা বামফ্রন্টের পক্ষ থেকে রাজ্যের সমস্ত বামপম্হী, প্রগতিশীল মানুষের উদ্দেশে বলছি, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে এর প্রতিবাদে সোচ্চার হোন, রাস্তায় নামুন৷‌ ফ্রন্টের সমস্ত শরিক দল, গণসংগঠন সকলের উচিত এখনই মুখর হওয়া৷‌ বামফ্রন্ট আহ্বান জানাচ্ছে, কাল থেকে তিনদিন রাজ্যের প্রত্যেকটি থানার সামনে বিক্ষোভ দেখান বামপম্হীরা৷‌ থানায় থানায় অভিযোগ জানান৷‌ এখনই রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ না করলে বাংলার সংস্কৃতি ধংস হয়ে যাবে৷‌ এদিনই নদীয়া জেলায় জেলাশাসক ও পুলিস সুপারের কাছে ডেপুটেশন দিয়েছেন মহিলা কর্মীরা৷‌

নদীয়া জেলা বামফ্রন্টের পক্ষ থেকে নদীয়ার জেলাশাসক ও পুলিস সুপারের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়৷‌ তাপস পালের দৃষ্টাম্তমূলক শাস্তি প্রদানের জন্য দাবি জানানো হয়েছে৷‌ কারণ, এই হুমকির পরিপ্রেক্ষিতে নদীয়া জেলায় সি পি এম-সহ বামপম্হী কর্মীদের, বিশেষত মহিলাদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়েছে৷‌ বি জে পি-র পক্ষ থেকে নাকাশিপাড়ার বেথুয়াডহরিতে দলের কার্যালয়ের সামনে এদিন সকালে পথ অবরোধ করা হয় এবং তাপস পালের কুশপুতুল দাহ করা হয়৷‌ প্রতিবাদসভা করে সারা ভারত গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতি৷‌ সংগঠনের রাজ্য নেত্রী রমা বিশ্বাস বলেন, লোকসভায় অধ্যক্ষের উচিত নিজে থেকে বিষয়টি নিয়ে পদক্ষেপ নেওয়া৷‌ ওঁর সাংসদ পদ বাতিল করা উচিত৷‌ এদিন দুপুরে কলেজ স্কোয়্যারে লিবারেশনের মহিলা সংগঠন সারা ভারত প্রগতিশীল মহিলা সমিতি বিক্ষোভ মিছিল করে৷‌ তাপস পালের কুশপুতুল পোড়ায়৷‌ সভা থেকে সংগঠনের সহ-সম্পাদিকা দাবি তোলেন, সাংসদকে গ্রেপ্তার করতে হবে৷‌ সাংসদ পদ বাতিল করতে হবে৷‌ সর্বোপরি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে এর দায় নিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে৷‌ এদিকে, তাপস পালের ওই মম্তব্যের সিডি লোকসভার অধ্যক্ষের কাছে পাঠাচ্ছে বি জে পি৷‌ ইতিমধ্যে নাকাশিপাড়া এবং কলকাতার শ্যামপুকুর থানায় তাপস পালের বিরুদ্ধে এফ আই আর দায়ের হয়েছে৷‌ এদিন বি জে পি-র রাজ্য সভাপতি রাহুল সিনহা বলেন, তাপস পালের ভাষণের রেকর্ড করা সিডি লোকসভার অধ্যক্ষের কাছে পাঠাব৷‌ তাঁর কাছে বিচার চাইব৷‌ সাংসদ পদে থাকার অধিকার হারিয়েছেন তাপসবাবু৷‌ কুরুচিকর মম্তব্যের জন্য রাজ্য জুড়ে থানায় থানায় এফ আই আর করব৷‌ তৃণমূল দল কালীঘাট লাইনে চলছে না, বীরভূম লাইনে চলছে৷‌ দুর্ভাগ্যজনক! সাংসদ দায়িত্বজ্ঞানহীন মম্তব্য করছেন৷‌ পুলিস দেখছে৷‌ যেন প্রতিযোগিতা চলছে, কে কত কুরুচিকর মম্তব্য করতে পারেন৷‌ সব মহিলাদের উচিত থানায় থানায় এফ আই আর করা৷‌ মুখ্যমন্ত্রী এখনও কোনও বিবৃতি দেননি৷‌ তিনি নীরবতা পালন করছেন৷‌ বিবৃতি না দিয়ে পরোক্ষে এ ঘটনা সমর্থন করছেন৷‌ অপরাধের পেছনে রয়েছেন তৃণমূল নেতারা৷‌ তৃণমূল তাঁকে অপসারণ করুক৷‌ দৃষ্টাম্তমূলক ব্যবস্হা নিক৷‌ মানুষ এটাই আশা করেন৷‌ প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরি বলেন, একজন সাংসদ এমন আচরণ কীভাবে করেন! আমরা কোন রাজত্বে বাস করছি? কংগ্রেসের প্রাক্তন সাংসদ দীপা দাশমুন্সি প্রতিক্রিয়ায় বলেন, এ ঘটনা নতুন কিছু নয়৷‌ অসংসদীয়৷‌ মুখ্যমন্ত্রী শুধু মর্মাহত হলে চলবে না, দল কী করছে দেখা দরকার৷‌ কংগ্রেস নেতা সোমেন মিত্র বলেন, যেভাবে সাংসদ এ কথা বলেছেন তার প্রতিক্রিয়া জানানোর ভাষা আমার নেই৷‌ কংগ্রেস বিধায়ক ডাঃ মানস ভুঁইয়ার অভিযোগ, তৃণমূলই এই ধরনের পরিবেশ আমদানি করছে৷‌ যারা এই ধরনের কাজ করছে তারা বারবার পার পেয়ে যাচ্ছে৷‌ এ নিয়ে বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রীর বিবৃতি দাবি করেছেন তিনি৷‌ এস ইউ সি আইয়ের রাজ্য সম্পাদক সৌমেন বসু বলেছেন, নারীদের প্রতি বিকৃত ও কদর্য রুচির চরম অবমাননাকর যে মম্তব্য সাংসদ তাপস পাল দলীয় সভায় পেশ করেছেন, তার তীব্র নিন্দা ও ধিক্কার জানাই৷‌ এ পি ডি আর জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে জানিয়েছে, এ ধরনের হুমকি, বিরোধীদের ঘরবাড়ি ভেঙে দেওয়ার হুঁশিয়ারি মানবাধিকার লঙঘনের সামিল৷‌ এদিন বি জে পি মহিলা মোর্চার পক্ষ থেকে কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ এবং তাপস পালের কুশপুতুল দাহ করা হয়৷‌ যাদবপুরে বিক্ষোভ দেখায় ডি ওয়াই এফ আই৷‌

India Meteorological Department
Regional Meteorological Centre
Alipore, Kolkata - 700027
  Kolkata Regional Weather Forecast : 02-07-2014   
  • R.M.C Kolkata Evening weather report dt 02.07.14.MONSOON WATCH:- The Northern Limit of Monsoon (NLM)continues to passes through Lat. 21°N / Long. 60°E, Lat.21°N / Long. 65°E, Veraval, Surat, Nashik, Wasim, Damoh, Sultanpur and Lat.28°N / Long. 82°E. SW monsoon been active over SHWB and SKM;subdued over A &N Islands,GWB ODS, JRKD & Bihar.Heavy to Very heavy rain occurred at Isolated places over SHWB. Rainfall occured at most places over SHWB & SKM ;at a few places over A&N Island,at isolated places over GWB BHR JRKD and ODS.CRA in CM( from 0830 IST of 28-06-14 to 0830 hours IST of 29-06-14 ) :- CRA in CM( from 0830 IST of 30-06-14 to 0830 hours IST of 01-07-14 ) Basirhat 12 Alipore 10 Barrackpore 9 Salt Lake 8 Puri 7 Midnapore, Diamond Harbour Burdwan Digha Haldia Burdwan Gheropara 6 each Gangtok,Jalpaiguri,Rampurhat Kharagpur Tamluk Bhubaneswar Angul Khurdah 5 each BalurghatMalda Tadong Dum Dum Kakinada Sriniketon Suri Balasore Angul 4each Nagrakata Rango Kalimpong Bhagalpur Daltonganj Paradeep Bhaglpur 3 each Coochbihar murti Domohni darjeeling sankalon Mogra Patna Kalyani Baruipur 2 EACH.
  • Synoptic situation based on 1430 IST dt. 02-07-14
  • Morning's LOPAR over GWB and adj Bangla desh with assoc cycir exteding upto 7.6 km asl tilting SW Ward with height.The trough of low pressure continues to run from Punjab to East Central Bay across Haryana UP JRKD Centre of LOPAR and North Bay.
  • Weather Forecast:*****
  • Day 1:Rain or thundershowers would occur at most places over Gangetic West Bengal & Jharkhand ; many places over Bihar, Odisha and sub-Himalayan West Bengal & Sikkim and may occur at a few places over A&N island .
  • Day 2: Rain or thundershowers would occur at most places over Sub-Himalayan West Bengal & Sikkim ; many places over A&N island ,Jharkhand Bihar,Odisha and Gangetic West Bengal and may occur at a few places over A&N island .
  • Day 3: Rain or thundershowers would occur at most places over Sub-Himalayan West Bengal & Sikkim ; many places over A&N island ,Jharkhand Bihar, and Gangetic West Benga and may occur at a few places over Odisha
  • Warning: Day 1: (1)Heavy to very heavy rain may occur at isolated places over Jharkhand & Gangetic . (2) Heavy rain may occur at isolated places over Odisha ,Bihar and Sub-Himalayan West Bengal & SKM. Day2 :- (1)Heavy to very heavy rain may occur at a few places over Jharkhand . (2) Heavy rain may occur at isolated places over Bihar and Sub-Himalayan West Bengal & SKM. Day 3:(1)Heavy to very heavy rain may occur at isolated places over Sub-Himalayan West Bengal & SKM. (2) Heavy rain may occur at isolated places over Bihar and Jharkhand.
  • Out Look for next 4 days:Scattered rain or thundershower over the region.

Bengal industry ignites debate

OUR SPECIAL CORRESPONDENT

Calcutta, July 1: The war of words over Bengal’s industrialisation process escalated today with industries minister Amit Mitra and leader of the Opposition Surya Kanta Mishra crunching numbers on the floor of the Assembly.
While Mitra, an economist, rolled out “details” of investments taking place on the ground, Mishra, a doctor by profession, raised doubts over the veracity of the claim.
According to Mitra, Rs 78,361 crore worth of investments were being implemented in Bengal. “These investments are actually happening on the ground as we speak. These are real numbers,” he said, participating in a discussion on the industry budget.
Mishra, however, countered the argument. “There is no consistency in the figures provided by this government. Had there really been investments, the effect should have been felt on the ground. We do not get to see that,” he noted.
Mitra said the numbers were more “credible” than mere proposals.
He also informed the House about the progress made on providing 14Y clearance — the government’s approval for holding land in excess of the ceiling in Bengal .
According to Mitra, 7,649.13 acres have been cleared by the Mamata Banerjee government, known for its hands-off land policy, under the 14Y clearance route.
These projects entailed an investment of Rs 49,973 crore, creating 45,768 direct jobs, the minister added. There are 13 more proposals, which are expected to be cleared soon.
Mishra argued that under- implementation would not give a clear picture of the pace of industrialisation. “For instance, erecting a boundary wall could well be classified as under-implementation. But that only serves limited purpose,” he said.
Niggling questions
Mishra also raised questions on why Indian Oil Corporation had been dumped by the Bengal government even after the PSU sought to buy into Haldia Petrochemicals Ltd.
Congress leader Manash Bhuiya suggested the government should try an out-of-the- court settlement with Tata Motors to resolve the Singur impasse.
Members of the Left Front suggested a relook at the rigid SEZ policy to facilitate the entry of IT firm Infosys into Bengal.
However, Mitra did not reply to any of these questions. “The matters are sensitive and the government is not in a position to give a definitive answer,” sources in the Trinamul Congress, said.


গ্রেফতার নয়, ক্ষমা চাইতেই খুশি মমতা

ক্ষমাপ্রার্থনা করে দলকে স্রেফ একটা চিঠি! আর তাতেই পার পেয়ে গেলেন তৃণমূলের অভিনেতা-সাংসদ তাপস পাল! তাপসের চিঠিতে সন্তুষ্ট খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চরম অশালীন ও উস্কানিমূলক মন্তব্য করা সত্ত্বেও তাপসকে যে গ্রেফতার করা হবে না, এমনকী রাজনৈতিক স্তরেও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা এ দিন স্পষ্ট করে দিয়েছেন তিনি। যদিও বিভিন্ন মহল থেকে তাপসকে গ্রেফতার করার দাবি মঙ্গলবার আরও তীব্র হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদন
০২ জুলাই, ২০১৪

এটা কী বলল, ক্ষুব্ধ চন্দননগর

নিজেকে ‘চন্দননগরের মাল’ বলে তিনি ঠিক কী বোঝাতে চেয়েছেন, মঙ্গলবার তাপস পালকে হাতের কাছে পেলেই জানতে চাইতেন অনেক চন্দননগরবাসী। তৃণমূল সাংসদকে নানা সূত্রে চেনা মানুষেরা যেমন ভিড়ে রয়েছেন, রয়েছেন অপরিচিতেরাও। শহরের প্রাতর্ভ্রমণকারী থেকে ডাক্তার, কলেজের ‘সিনিয়র’ ক্ষোভ চেপে রাখেননি দাদার এই ‘কীর্তিতে’। শহরের ধাড়াপাড়ায় ‘পালবাড়ি’র রং চটে যাওয়া লোহার গেটে এ দিন সকালে বিজেপি-র পোস্টার পড়ে, ‘চন্দননগরবাসীর লজ্জা তাপস পাল’।

তাপস ঘোষ
০২ জুলাই, ২০১৪

পর্দার প্রতিবাদীর পরিবর্তনে রিঙ্কুরা হতাশ

সিনেমায় যেমন হয়... কথাটা এ বার বলা যাচ্ছে না। কেননা সিনেমার সঙ্গে বাস্তব যে মিলছেই না! ফিল্মি চরিত্র বন্দি থাকছে চিত্রনাট্যেই। কারণ রক্তমাংসের জগতে যাঁকে দেখা গেল, তিনি অন্য মানুষ। রুপোলি পর্দার তাপস পাল ছিলেন মূর্তিমান প্রতিবাদী। খুন ও ধর্ষণের প্রতিবাদে জীবনের ঝুঁকি নিয়েও মাঠে নেমেছেন। বাস্তবেও মাঠে নেমেছেন তাপস পাল। কিন্তু নদিয়ার চৌমুহা গ্রামে তাঁর গর্জনের বহুল আলোচিত ফুটেজ দেখার পরে চলচ্চিত্রের তাপসের সঙ্গে তাঁকে মেলাতে পারছেন না নায়কের ভক্তেরাই।

অরুণাক্ষ ভট্টাচার্য
০২ জুলাই, ২০১৪



এই মুহূর্তে

English বাংলা
ADVERTISEMENT

গ্রেফতার নয়, ক্ষমা চাইতেই খুশি মমতা

ক্ষমাপ্রার্থনা করে দলকে স্রেফ একটা চিঠি! আর তাতেই পার পেয়ে গেলেন তৃণমূলের অভিনেতা-সাংসদ তাপস পাল! তাপসের চিঠিতে সন্তুষ্ট খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চরম অশালীন ও উস্কানিমূলক মন্তব্য করা সত্ত্বেও তাপসকে যে গ্রেফতার করা হবে না, এমনকী রাজনৈতিক স্তরেও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা এ দিন স্পষ্ট করে দিয়েছেন তিনি। যদিও বিভিন্ন মহল থেকে তাপসকে গ্রেফতার করার দাবি মঙ্গলবার আরও তীব্র হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদন
০২ জুলাই, ২০১৪
e e e


হয় চুপ, নয় ক্ষমাতেই খুশি ‘দিদি’র প্রমীলা বাহিনী

শাসক দলের সাংসদ বলছেন, দলের ছেলেদের দিয়ে ‘রেপ’ করিয়ে দেবেন! মেয়েদের প্রতি এত বড় অসম্মানেও মুখ ফুটে শাস্তির দাবি করতে পারলেন না ওঁরা। ওঁদের মধ্যে কেউ দলের বিধায়ক, কেউ সাংসদ, কেউ দলীয় নেত্রী, কেউ বা দিদি-ঘনিষ্ঠ অভিনেত্রী! টেলিভিশনে সোমবার দিনভর তাপস পালের মন্তব্য নিয়ে তুমুল শোরগোল হয়েছে। মঙ্গলবারও খবরের শিরোনাম দাদার কীর্তি-ময়। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছিছিক্কারের ঢেউ। তার পরেও শাসক দলের অনেক মহিলা বিধায়ককেই দিনের শেষে অবলীলায় বলতে শোনা গেল, “উনি ঠিক কী বলেছেন, শুনিনি। বিষয়টা জানি না।”

নিজস্ব সংবাদদাতা
০২ জুলাই, ২০১৪
e e e


অন্য গল্প দেখছেন নেপথ্য-নন্দিনী

সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে তাঁর উপস্থিতি টের পাওয়া গিয়েছে মঙ্গলবার সকালেও। সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরার সামনেও তাঁর এক ঝলকের উপস্থিতি ছড়িয়ে পড়েছে নেট-রাজ্যে। এটুকু বাদ দিলে দিনের বেশির ভাগ সময়ে কার্যত অধরা থাকলেন নন্দিনী পাল। বারবার মোবাইলে ফোন করা সত্ত্বেও সাড়া মেলেনি। তাপস পাল ও নন্দিনীর মেয়ে সোহিনীরও নাগাল মেলেনি।

নিজস্ব সংবাদদাতা
০২ জুলাই, ২০১৪
e e e


ADVERTISEMENT

বঁটি দিয়ে কেটে দে, তাপসের সুরে অরূপ-বাণী

এ বলে আমায় দেখ, ও বলে আমায়! তৃণমূল সাংসদ তাপস পালের আপত্তিকর মন্তব্যে জেরে ইতিমধ্যেই তোলপাড় রাজ্য-দেশের রাজনীতি। তারই মধ্যে বিরোধীদের (বিজেপি) ‘কেটে ফেলার’ হুঙ্কার দিয়ে বিতর্কে জড়ালেন বাঁকুড়া জেলা পরিষদের সভাধিপতি, তৃণমূল নেতা অরূপ চক্রবর্তী। তাপস দিয়েছিলেন বিরোধীদের গুলি করে মারার শাসানি, অরূপের মুখে এল বিরোধীদের ‘বলি’ দেওয়ার হুমকি। এবং এ সবই হয়েছে পুলিশের উপস্থিতিতে।

নিজস্ব সংবাদদাতা
০২ জুলাই, ২০১৪
e e e


এটা কী বলল, ক্ষুব্ধ চন্দননগর

নিজেকে ‘চন্দননগরের মাল’ বলে তিনি ঠিক কী বোঝাতে চেয়েছেন, মঙ্গলবার তাপস পালকে হাতের কাছে পেলেই জানতে চাইতেন অনেক চন্দননগরবাসী। তৃণমূল সাংসদকে নানা সূত্রে চেনা মানুষেরা যেমন ভিড়ে রয়েছেন, রয়েছেন অপরিচিতেরাও। শহরের প্রাতর্ভ্রমণকারী থেকে ডাক্তার, কলেজের ‘সিনিয়র’ ক্ষোভ চেপে রাখেননি দাদার এই ‘কীর্তিতে’। শহরের ধাড়াপাড়ায় ‘পালবাড়ি’র রং চটে যাওয়া লোহার গেটে এ দিন সকালে বিজেপি-র পোস্টার পড়ে, ‘চন্দননগরবাসীর লজ্জা তাপস পাল’।

তাপস ঘোষ
০২ জুলাই, ২০১৪
e e e


পর্দার প্রতিবাদীর পরিবর্তনে রিঙ্কুরা হতাশ

সিনেমায় যেমন হয়... কথাটা এ বার বলা যাচ্ছে না। কেননা সিনেমার সঙ্গে বাস্তব যে মিলছেই না! ফিল্মি চরিত্র বন্দি থাকছে চিত্রনাট্যেই। কারণ রক্তমাংসের জগতে যাঁকে দেখা গেল, তিনি অন্য মানুষ। রুপোলি পর্দার তাপস পাল ছিলেন মূর্তিমান প্রতিবাদী। খুন ও ধর্ষণের প্রতিবাদে জীবনের ঝুঁকি নিয়েও মাঠে নেমেছেন। বাস্তবেও মাঠে নেমেছেন তাপস পাল। কিন্তু নদিয়ার চৌমুহা গ্রামে তাঁর গর্জনের বহুল আলোচিত ফুটেজ দেখার পরে চলচ্চিত্রের তাপসের সঙ্গে তাঁকে মেলাতে পারছেন না নায়কের ভক্তেরাই।

অরুণাক্ষ ভট্টাচার্য
০২ জুলাই, ২০১৪
e e e


জনস্বার্থের মামলা শুরু হচ্ছে আজই

খোলা মাঠে দাঁড়িয়ে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে অকথ্য কটূক্তি করেছেন তৃণমূল সাংসদ তাপস পাল। বিভিন্ন মহলে নিন্দা-প্রতিবাদের সঙ্গে সঙ্গে এ বার তাঁর বিরুদ্ধে জনস্বার্থের মামলাও দায়ের করা হচ্ছে। আজ, বুধবার কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থের মামলাটি দায়ের করবেন কৃষ্ণনগরের আইনজীবী শমীক সান্যাল। তাপস কুকথা বলেছিলেন কৃষ্ণনগরেরই নাকাশিপাড়ার চৌমুহা গ্রামে।

নিজস্ব সংবাদদাতা
০২ জুলাই, ২০১৪

হয় চুপ, নয় ক্ষমাতেই খুশি ‘দিদি’র প্রমীলা বাহিনী

শাসক দলের সাংসদ বলছেন, দলের ছেলেদের দিয়ে ‘রেপ’ করিয়ে দেবেন! মেয়েদের প্রতি এত বড় অসম্মানেও মুখ ফুটে শাস্তির দাবি করতে পারলেন না ওঁরা। ওঁদের মধ্যে কেউ দলের বিধায়ক, কেউ সাংসদ, কেউ দলীয় নেত্রী, কেউ বা দিদি-ঘনিষ্ঠ অভিনেত্রী! টেলিভিশনে সোমবার দিনভর তাপস পালের মন্তব্য নিয়ে তুমুল শোরগোল হয়েছে। মঙ্গলবারও খবরের শিরোনাম দাদার কীর্তি-ময়। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছিছিক্কারের ঢেউ। তার পরেও শাসক দলের অনেক মহিলা বিধায়ককেই দিনের শেষে অবলীলায় বলতে শোনা গেল, “উনি ঠিক কী বলেছেন, শুনিনি। বিষয়টা জানি না।”

নিজস্ব সংবাদদাতা
০২ জুলাই, ২০১৪

অন্য গল্প দেখছেন নেপথ্য-নন্দিনী

সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে তাঁর উপস্থিতি টের পাওয়া গিয়েছে মঙ্গলবার সকালেও। সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরার সামনেও তাঁর এক ঝলকের উপস্থিতি ছড়িয়ে পড়েছে নেট-রাজ্যে। এটুকু বাদ দিলে দিনের বেশির ভাগ সময়ে কার্যত অধরা থাকলেন নন্দিনী পাল। বারবার মোবাইলে ফোন করা সত্ত্বেও সাড়া মেলেনি। তাপস পাল ও নন্দিনীর মেয়ে সোহিনীরও নাগাল মেলেনি।

নিজস্ব সংবাদদাতা
০২ জুলাই, ২০১৪

তাপসের ইস্তফাই দাবি বিরোধীদের

দিদির কাছে ক্ষমা চেয়ে হয়তো পার পেয়ে গেলেন দাদা। কিন্তু বিরোধীরা মুখিয়ে আছেন তাঁর সাংসদ পদটিকে শূলে চড়ানোর জন্য। সংসদে এমনিতেই শতাব্দী-বিনা বন্ধু নেই তাপস পালের। জাতীয় রাজনীতিতে তৃণমূলের অবস্থাও অনেকটা সে রকম। বন্ধুহীন। সেই তৃণমূলের এক তারকা-সাংসদের কুকথায় এ বার তেড়েফুঁড়ে উঠেছে সব রাজনৈতিক দল। দল নির্বিশেষে দাবি উঠেছে, মহিলাদের প্রতি যাঁর এই মনোভাব, তাঁর জনপ্রতিনিধি হয়ে থাকার কোনও যোগ্যতাই নেই।

নিজস্ব সংবাদদাতা
০২ জুলাই, ২০১৪

দাদার হুমকির পরে মুখে কুলুপ চৌমুহার

তৃণমূল সাংসদের মুখে বিরোধীদের ‘রেপ করিয়ে’ দেওয়ার হুমকি শোনার পরে কেটেছে ষোলো দিন। তার পর থেকে সিপিএম সমর্থক পরিবারের মহিলারা শৌচকার্যে একা বেরোতে ভয় পাচ্ছেন, রাতে ঘরের আলো জ্বালিয়ে রাখছেন, অন্ধকার নামলে ঘরবন্দিই থাকছেন। কিন্তু স্থানীয় পঞ্চায়েত সিপিএমের দখলে এবং সিপিএম সমর্থিত নির্দল উপপ্রধানের বাড়ি গ্রামে হলেও মঙ্গলবার পর্যন্ত অভিযোগ এবং প্রতিবাদের রাস্তাতে হাঁটেনি নাকাশিপাড়ার চৌমুহা গ্রাম।

মনিরুল শেখ
০২ জুলাই, ২০১৪

তাপস পালের কুকথায় ঝড় তৃণমূলেরই অন্দরে

এই ক’দিন আগেও লোকসভা ভোটে যাঁরা তাঁর ছায়াসঙ্গী ছিলেন, দিনের পর দিন যে সকল তৃণমূল নেতারা তাঁকে জেতানোর জন্য প্রাণপাত করেছেন, রোদ-বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে যাঁরা তাপস পালের হয়ে প্রচার করেছিলেন, আজ তাঁরাই লজ্জায় মুখ লোকাচ্ছেন। সোমবার নাকাশিপাড়ার চৌমুহা গ্রামে তাপস পালের মন্তব্য সংবাদমাধ্যমে আসার পর থেকেই তৃণমূলের অন্দরে সমালোচনার ঝড় বইতে শুরু করেছে।

সুস্মিত হালদার
০২ জুলাই, ২০১৪

Poverty definition immaterial for financial inclusion: Raghuram Rajan

Queen Maxima of Netherlands and RBI Governor Raghuram Rajan at a press conference at RBI in Mumbai on Wednesday

The Governor spoke after meeting Queen Maxima of Netherlands, who is the UN Secretary General's Special Advocate for Inclusive Finance for Development
BS Reporter  |  Mumbai  
July 2, 2014 Last Updated at 19:52 IST
Amid controversy over the definition of poverty, Reserve Bank of India (RBI) Governor Raghuram  Rajan today said it does not matter whether there is a precise definition and what matters is that extending financial services to the poor.

“It doesn't matter that we have a precise definition. There's so much demand for financial services in the country that we don't need to delineate 'you get it, you don't'. Everybody needs it,” Rajan said today.

The Governor spoke after meeting Queen Maxima of Netherlands, who is the UN Secretary General's Special Advocate for Inclusive Finance for Development, at the RBI headquarters here.

“Just creating an environment in which it can expand is enough. We have to work on creating that environment. But we don't need to choose between people. Whoever can benefit, they should get it,” Rajan said.

Last year, debate broke out over the definition over poverty after a Planning Commission's report said that the overall number of poor households declined from 37 per cent in 2004-05 to around 22 per cent in 2011-12. The figures were arrived after applying the Suresh Tendulkar committee’s methodology for estimating poverty to draw a poverty line.

“We have to work on creating that environment but we don’t need to choose between the people,” Rajan added.

Queen Maxima appreciated the approaches adopted in the country to achieve financial inclusiongoals and specifically mentioned the use of prepaid cards.

"I am happy to see the good work being done in the direction of financial literacy to achieve the inclusion goals," Maxima said.

She called for more innovative efforts at making financial products available to low-income households.

The government and RBI have been driving financial inclusion through the banking system and banks are required to submit a financial inclusion plan, duly approved by the board.

RBI has relaxed the branch authorisation policy and banks do not require prior permission to open branches in centres with population less than 1 lakh. To further step up the opening of branches in rural areas, banks have been mandated to open at least 25 per cent of their new branches in unbanked rural centres.

In the Annual Policy Statement for 2013-14, banks have been advised to consider frontloading the opening of branches in unbanked rural centres over a three year cycle co-terminus with their FIPs.

In the first phase, banks were advised to draw up a roadmap for providing banking services in every village having a population of over 2,000 by March 2010. According to the central bank, banks have successfully met this target and have covered 74398 unbanked villages.

In the second phase, roadmap has been prepared for covering remaining unbanked villages that is, with population less than 2000 in a time bound manner.

About 4,90,000 unbanked villages with less than 2000 population across the country have been identified and allotted to various banks.


No comments:

Post a Comment

Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...

Welcome

Website counter

Followers

Blog Archive

Contributors